কিছু পোস্ট

অনলাইনে আছেন
ফেসবুকে নিয়মিত আপডেট
পেতে লাইক করুন

sex-problem লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
sex-problem লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

যৌন মিলনের চারটে গোপণ সূত্র(joun-miloner-carti-gopon-sutro)

আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌন মিলনকে মধুর করতে হলে আপনাকে চারটে নিয়ম মেনে চলতে হবে৷ আপনি যদি এই চারটে নিয়মকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ভাবে মিলিত হন তাহলে আপনি প্রকৃত অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷

‘দ্য ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স’ এই গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার এবং বেভারলি এনি ফস্টার চারটে নিয়মের কথা বলেছেন৷ তাদের মতে যৌন মিলনের আগে শরীরের তুলনায় মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি৷ মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি এর চরম সুখ লাভ করতে পারবেন৷ যৌন মিলনের জন্য চারটে গোপণ তথ্যের প্রথমটা হল :

সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷ না সেটা একেবারেই ভুল ধারনা৷ আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান৷ যৌন মিলনের আগে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিন৷ আপনি কখনই ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷ মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব৷

সেনসেশান: যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সিক্স সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়৷ সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার পার্টনার উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷ কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর প্রয়োজন জয়৷ এনার্জী লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷

সারেন্ডার: তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময় আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার পার্টনারের কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন মিলন সফল হবে৷ এর জন্য পার্টনারের কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷

রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম তিনটে নিয়্ম ভ্রুনাক্ষরে পালন করে তাহলে আপনি আপনার অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷ পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে৷
| ৩:২৫ am | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

যৌন সমস্যার ডাক্তারি সমাধান(joun-somossar-daktari-somadhan)

জিজ্ঞাসা- ১: সেক্স করতে পেনিস ভ্যাজাইনার কোথায় ঢোকাতে হবে? উপরে নিচে না মাঝ বরাবর?
সমাধানঃ নিচ বরাবর

জিজ্ঞাসা- ২ ‍প্রথমবার সেক্স করার সময় কি কি সমস্যা হবে?
সমাধানঃ প্রথমবার সেক্স করার সময় মেয়েটির রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অনেকেই এতে ভয় পেয়ে যায়। ভয় পাবার কিছু নেই। যেহেতু প্রথম সেক্সের সময় সতিচ্ছেদ পর্দাটি ছিড়ে যায় (যেখানে রক্তনালী থাকে) তাই রক্তক্ষরণ একটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে কারো রক্তক্ষরণ নাও হতে পারে, সেটাও স্বাভাবিক।


জিজ্ঞাসা- ৩: সতিচ্ছেদ পর্দা দেখে কি আমি প্রমাণ করতে পারবো কোনো মেয়ে ভার্জিন কি না?
সমাধানঃ না পারবেন না। বয়স বাড়ান সাথে সাথে সতিচ্ছেদ পাতলা হয়ে আপনা আপনি ই ছিড়ে যায়। তাছাড়া যেসব মেয়ে দৌড়-লাফ বা অন্যন্য কসরত বেশী করে তাদের সতিচ্ছেদ ছিড়ে যায়। কোরো সতিচ্ছেদ ছেড়া পাওয়া গেলে কোনোভাবেই এটা প্রামাণিত হবে না সে ভার্জিন নয়। বিভিন্নরকম সতিচ্ছেদের ছবি দেখুন ‍নিচে-


জিজ্ঞাসা- ৪: প্রথম সেক্সে কোনো মেয়ে কি ব্যাথা পায়?
সমাধানঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পায়। তবে খুব বেশী উত্তেজিত থাকলে এবং প্রচুর মিউকাস ক্ষরণ হলে ব্যাথা পায় না। সেজন্য উচিত ভালোমতো উত্তেজিত করার পর সেক্স করা।


জিজ্ঞাসা- ৫: যদি ভুল করে কারো সাথে অনিরাপদ সেক্স করে ফেলি এবং গর্ভবতী হবার আশংকা থাকে তাহলে মেয়েটি কি ফেমিকন পিল খাবে?
সমাধানঃ প্রথমত, ধর্মীয় বিধান মেনে চলুন। বিয়ে বহির্ভূত সেক্সে কোনোভাবেই সমর্থন যোগ্য নয়। তবে কেউ যদি ভুল করেই বসে প্রচলিত জন্মনিরোধক পিল (ফেমিকন জাতীয়) কোনো কাজেই আসবেনা। কেননা এগুলো খেতে হয় 1 মাস আগ থেকেই। সেক্ষেত্রে 72 ঘন্টার মধ্যে “ইমার্জেন্সি পিল” খেতে হবে

জিজ্ঞাসা- ৭: ডেন্জার প্রিয়ড কি?
সমাধানঃ যেসময়ে সেক্স করলে মেয়েটি গর্ভবতী হবার সম্ভাবনা বেশী তাকে ডেন্জার প্রিয়ড বলে। মিন্সট্রুয়েশন (মাসিক) শেষ হবার 10ম দিন থেকে 20তম দিন পর্যন্ত চান্স বেশী থাকে। অন্য সময়গুলোতেও গর্ভধারণ হবেনা এটা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।


জিজ্ঞাসা- ৮ ‍: মেয়েরা কি মাস্টারবেশন করে?
সমাধানঃ আমেরিকান জরীপ মতে 92 ভাগ ছেলে ও 62 ভাগ মেয়ে মাস্টারবেশন করে।


জিজ্ঞাসা- ৯ ‍: মেয়েরা কিভাবে মাস্টারবেশন করে?
সমাধানঃ ক্লাইটোরিয়াস কে নাড়াচাড়া করার মাধ্যমে অথবা ভাইব্রেটর মেশিন দিয়ে ক্লাইটোরিয়াসকে ভাইব্রেশন দেবার মাধ্যমে তারা অর্গাজম (যৌনতৃপ্তি) পেতে পারে।


জিজ্ঞাসা- ১০ : সেক্স না করেও কোনো মেয়েকে কি তৃপ্তি দানকরা সম্ভব?
সমাধানঃ হ্যা সম্ভব। ক্লাইটোরিয়াস এ নাড়াচাড়া করে তাদের তৃপ্তি দেয়া সম্ভব।


জিজ্ঞাসা- ১১ ‍: 18 বছরের নিচে কি সেক্স করা উচিত?
সমাধানঃ না উচিত নয়। শারীরিক ভাবে যথেষ্ট সম্পূর্ণতা তাদের থাকে না।


জিজ্ঞাসা- ১২: সিফিলিস, গনোরিয়া, ধবজভংগ কি?
সমাধানঃ সিফিসিল ও গনোরিয়া ব্যাকটেরিয়া ঘটিত মারাত্মক প্রাণঘাতক রোগ যাতে শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়। অনিরাপদ সেক্সের মাধ্যমে রোগের বাহক থেকে অগর সঙ্গীর কাছে এটা ট্রান্সমিট হয়। ধ্বজভংগ একটি অ্যাবনরমালিটি যেখানে রোগী উত্তেজিত হলেই বীর্জপাত ঘটে/যৌনতৃপ্তি লাভ করে। ফলে সে সেক্স করার আগেই তৃপ্তি পেয়ে যায় এবং সেক্স করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
| ৩:০৬ am | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

সেক্স বিষয়ক কমন প্রশ্নগুলোঃ common questions about sex



প্রচুর পরিমানে আসা কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর:

প্রশ্নঃ আমার লিঙ্গের আগা মোটা গোড়া চিকন , কি করি?
উত্তরঃ এটা কোন রোগ না । এটার লিঙ্গের স্বাভাবিক গঠন …… সো নো টেনশন ।

প্রশ্নঃ হস্তমৌথুনের কারনে কি কোন সমস্যা হয় ?
উত্তরঃ হস্তমৌথুন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । অতিরিক্ত কোন কিছু ভাল না , তবে আপনি যদি হস্তমৌথুন করার পর অপরাধ প্রবনতায় ভোগেন , তাহলে মনযৌন সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।

প্রশ্নঃ স্বপ্নদোষ হছে , কি করবো ?
উত্তরঃ “স্বপ্নদোষ” এই নামটাই ভুল । স্বপ্নে তো কোন দোষ হচ্ছে না , তাহলে আমরা কেন এটাকে স্বপ্নদোষ বলছি ? এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । মেয়েদের মিন্স/মাসিক যেমন স্বাভাবিক, ছেলেদের স্বপ্নদোষ তেমন স্বাভাবিক । মাসে ১৫ বারের বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন ।

প্রশ্নঃ আমার লিঙ্গ ছোট , বিয়ে করতে পারব তো?
উত্তরঃ কমন একটা প্রশ্ন, একটা মেয়েকে(স্ত্রী) যৌন তৃপ্তি দেওয়ার জন্য আপনার লিঙ্গ উত্তেজনার সময় ৩ ইঞ্চি লম্বা হলেই চলবে ।

প্রশ্নঃ লিঙ্গ বড় করার কোন মালিশ, ওষুধ ,ক্রিম , মেশিন কি আছে ?
উত্তর: নাই … নাই …… নাই , বাজারে যত মালিশ, ওষুধ ,ক্রিম , মেশিন আছে সব ভুয়া । এর সাথে বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক নাই। (কেউ মালিশ, ওষুধ ,ক্রিম , মেশিন এর সাথে লিঙ্গ বড় করার বিষয়ে বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক – এর কথা বললে অবশ্যই প্রমান সহ বলবেন । মনে রাখবেন হাতুড়ে চিকিৎসা বিষয়ক কোন কথা মানা হবে না )

প্রশ্নঃ আমার বীর্য পাতলা , আমি কি বাবা হতে পারবো?
উত্তরঃ বীর্য পাতলার সাথে বাবা হওয়ার কোন সম্পর্ক নাই । বীর্যের মধ্যে শুক্রের পরিমান ও গুনগত মানের উপর নির্ভর করে আপনি বাবা হতে পারবেন কিনা । “বীর্য পাতলা” এটা কোন রোগ না। এর সাথে যৌন দুর্বলতারও কোন সম্পর্ক নাই।

প্রশ্নঃ মেয়েদের কি স্বপ্নদোষ হয়না? নাকি তাদের শুধু মিন্স হয়?
উত্তরঃস্বপ্নদোষ” এই নামটাই ভুল । স্বপ্নে তো কোন দোষ হচ্ছে না , তাহলে আমরা কেন এটাকে স্বপ্নদোষ বলছি ? এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।মিন্স আর স্বপ্নদোষ এক করে ফেলা ঠিক না । মেয়েরা ও ছেলেরা সবাই সেক্স করা নিয়ে সপ্ন দেখে, এতে অসুবিধার কিছু নাই , যৌন জীবনের উপর এর কোন প্রভাবও নাই।
(iha ekti bangla choti bisoyok site, choti golpo, বাংলা চটি, ইহা একটি চটি গল্পের সাইট)
| ১০:৩০ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

নারী-পুরুষের জন্য কয়েকটি লক্ষ্যণীয় বিষয়(nari puruser joono koekti lokkhonio bisoy)


যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করুন
যৌনমিলন দৈহিক তি করে না
পুরুষের সমস্যাগুলো কি জানতে চেষ্টা করুন
নারীর সমস্যাগুলো কি জানতে চেষ্টা করুন
ডাক্তারী পরামর্শ নিন

যৌবন প্রাপ্তির পর পরই পুরুষ নানা প্রকার যৌন সঞ্চয় করে। এই সময়ে পুরুষের যৌনতা ব্যাপারে তীব্র আকর্ষণ জন্মায় । যাতে করে পুরুষ হস্তমৈথুন থেকে শুরু করে সমকামিতা এমনকি পতিতা সঙ্গম পর্যন্ত যৌনতার অভ্যস্ত হয়। পুরুষের এই সময়কার কিছু যৌন অভিজ্ঞতা হলো এ রকম-

কিছু কিছু পুরুষ এই সময়ে জন্ম নিরোধকের ব্যবস্থা নিয়ে যৌনমিলন করে থাকে। অনেকেই কয়েকটা ইন্টেরেপ্টাস পদ্ধিতি গ্রহণ করে যাতে করে গর্ভাবস্থার ঝুকি কমানো যায়। এই পদ্ধতিতে পুরুষ যৌনমিলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে নারীর যোনি থেকে তার লিঙ্গ অপসারণ করে। যাতে করে পুরুষের বীর্য নারীর জরায়ুতে পোঁছাতে পারে না।

কোনো কোনো পুরুষ এই সময়ে যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে গাড়ির ভেতরে বা নির্জন এলাকায়। অনেকে আবার বন্ধুর বাড়িতে বা অন্য কোনো আত্নীয়ের বাসায় প্রথম যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমনো দেখা যায়। শারীরিক এবং মানসিক চাপের জন্য অনেক পুরুষ হোটেলে বা সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে যৌনমিলনে রত হয়। এ ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ির জন্য অনেক পুরুষ এবং নারী কেবল মাত্র একে অন্যের যৌনাঙ্গ স্পর্শের দ্বারা যৌন তৃপ্তি লাভ করে।

পতিতা সহবাস যৌবন প্রাপ্তির পরে পুরুষের যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের একটি অন্যতম উপায়। সাধারণত অতিরিক্ত মাত্রায় এলকোহল সেবনের পরে অনেক পুরুষ স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রীর কাছ থেকে বেমুখ হয়ে পতিতার সাথে সঙ্গম ঘটায়। এই সময়ে পুরুষের কার্যত বাহ্যিক কোনো জ্ঞান থাকেনা বিধায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে পুরুষের বীর্যপাত ঘটায় এবং তাতেই সে তৃপ্তি লাভ করে।

এই জাতীয় অভিজ্ঞতা ছাড়াও স্বমেহন পুরুষকে স্বল্প মাত্রাই যৌন অভিজ্ঞতা এনে দিতে পারে । আবার অনেক পুরুষ যৌনতার চাইতে বরং অন্যান্য নেশা দ্রব্যের প্রতি আকৃষ্টি হয়, যেমন এলকোহল বা মারিজুয়ানা। ক্রমাগত এই জতীয় নেশা দ্রব্য ব্যবহারের ফলে বহু পুরুষের যৌন ই্‌চ্ছা একেবারে কমে যায় এবং তারা পুরুষত্বহীনতায় ভোগে।

সমকামিতা ও কিন্তু যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের একটি উপায়। সমকামিতা হলো পুরুষের অন্য পুরুষের প্রতি এবং নারীর অন্য নারীর পতি যৌন আকর্ষণ অনুভব করা। পুরুষ এবং নারীর সমকামিতায় যৌনমিলনের মতোই আনন্দ লাভ করে থাকে। এটি যৌবন প্রাপ্তি পরে বহু পুরুষের যৌন তৃষ্ণা নিবারণের একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায়
(iha ekti bangla choti site, sob choti golpo, বাংলা চটি, চটি গল্প, নারী-পুরুষের জন্য কয়েকটি লক্ষ্যণীয় বিষয়, nari puruser joono koekti lokkhonio bisoy)
| ৯:১৩ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

যৌন উত্তেজনার ধারা(jouno uttejonar dhara)


নারী পুরুষের যৌন উত্তেজনার ধারা পৃথিবীব্যাপী একই রকম। অর্থাৎ পৃথিবীর যে কোনো দেশে নারী পুরুষ একই রকমভাবে যৌন উত্তেজিত হয় এবং যৌনমিলনে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আলোচনা যৌনতার ব্যাপারটি উল্লেখ হয়ে থাকে। পৃথিবীব্যাপী যৌনতার উপর গবেষণা এবং আলোচনা হয় ব্যাপকভাবে । আমেরিকান বিখ্যাত কিনসে ইনস্টিটিউট নারী পুরুষের যৌনতার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে। যৌনতা হলো নারী পুরুষের দৈহিক মিলন প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রাণীর মতো নারী পুরুষের যৌনতা বাহ্যিকভাবে প্রকাশ্য নয়। বরং নারী পুরুষের যৌনমিলন এবং যৌনতা সংঘটিত হয় সুস্থ সুন্দর পরিবেশে। পৃথিবীর আদি থেকে চলে আসা একটি সংস্কৃতি হলো যৌন সংস্কৃতি। এই যৌন সংস্কৃতি প্রতিটি পুরুষ এবং নারীর জীবনের খুব আদৃত একটি অংশ। নারীর সাথে পুরুষের দৈহিক মিলনের সময় নারী উত্তেজিত হয় এবং পাশপাশি পুরুষের ও যৌন উত্তেজনা আসে। পুরুষের স্পর্শের প্রথম থেকেই নারীর ভেতরে যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। নারীর শরীর কেপে উঠতে পারে যা খুব সামান্য সময় ধরে অনুভূত হয়। যৌনমিলনের সময় নারীর দেহ এবং পুরুষের দেহের প্রধান যে পরিবর্তন হয় তাহলো উভয়েরই শারীরিক চাপ বৃদ্ধি পায়, রক্তের চাপ বাড়ে, শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয় এবং উভয়েই চূড়ান্ত আনন্দের জন্যে অস্থির হয়ে উঠে । নারীর যৌন জীবন পুরুষের চেয়ে অপোকৃত । নারীর যৌনতার সংস্কৃতিতে বোধ করি পুরুষের চেয়ে আলাদা। নারীর যৌন আগ্রহ, ইচ্ছা যৌনতার চরম আনন্দ ইত্যাদি প্রতিটি পর্বে পুরুষের চেয়ে স্বতন্ত্র অবস্থার সৃষ্টি করে। যৌন উত্তেজনার সময় অন্যান্য যে পরিবর্তনগুলো লণীয় হয় সেগুলো হলো।

স্তনবৃন্তের ফুলে উঠা।
স্তনের আকার বড় হয়ে যাওয়া।
শরীরে যৌন ঝলকের উপস্থিতি।
নারীর ক্ষেত্রে কিটোরিসের রঙের পরিবর্তন।
পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গের মাথার রঙের পরিবর্তন।

প্রথম যুগের মানুষের যৌনতার্ ছিল কেবল মাত্র ক্ষণিক আনন্দের একটি উৎস। পরবর্তী সময়ে যৌনতার ব্যবহারিক পরিবর্তন দেখা দেয়। এক সময়ে এক নারী একই সাথে একই পরিবারের সবার সাথে যৌনমিলনে রত হতে পারতো। এটি ছিল যৌনতার সংস্কৃতি। তখন কার সমসাময়িক যৌন সংস্কৃতি ছিল এই রকম। যুগে যুগে যৌন সংস্কৃতি পরিবর্তিত হয়েছে। আবার যৌতার ব্যাপারে ধর্মীয় নানা মতবাদের প্রভাবে যৌনতার বিষয়টি একেক সমাজে একেক ভাবে অনুশীলন করা হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে এই নতুন যুগে যৌনতার ব্যাপারটি নানা দিক থেকে আধুনিক হয়ে উঠেছে বর্তমান সময়ে যৌনাসনের পাশাপাশি যৌন ক্রীড়াতে নানা পরিবর্তন ছন্দ দেখা যায়। নারী, পুরুষের ক্ষেত্রে যৌনতার আবহ একেক না্‌রী পুরুষের ক্ষেত্রে একেক রকম । যখন কোনো প্রেমিকের সাথে যৌনমিলন বা ডেটিং করে তখন যৌতার ব্যাপাটি যে ভাবে হতে পারে ঠিক সেভাবে স্বামী-স্ত্রীর যৌনতার ব্যাপাটি সংঘটিত হয় না। একই নারী যখন বহু পুরুষের সাথে যৌনমিলন বা যৌন সর্ম্পক স্থাপন করে, তখন ও আবার যৌনতার সংস্কৃতি ভিন্ন হয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নারী পুরুষের ক্ষেত্রে যৌনতার ব্যাপাটি সব সময় একই ধারায় এগিয়ে চলে না । যৌনমিলনের ব্যাপারে বা যৌনতার ব্যাপারে সব নারীরেই ইচ্ছা একই রকম হয় না। এটিও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কোনো কোনো নারী অত্যাধিক যৌনকাতর । আবার কোনো কোনো পুরুষের যৌন ইচ্ছা থাকে বেশি অর্থাৎ যৌনতার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ এবং যৌন মিলনের ইচ্ছা থাকে ব্যাপক। আবার কোনো কোনো নারী-পুরুষ সুস্থ যৌনতার পপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক যৌনমিলন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু নারী-পুরুষ যৌনতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌনতার ব্যাপার বিশেষ করে নারী, পুরুষের যৌনতার ব্যাপারে উৎসাহ এবং আগ্রহ যদি না থাকে তবে চরমপুলক আসতে পারে না। বহু নারী, পুরুষকে এমন অভিযোগ করতে শোনা যায় যে তারা যৌন জীবনে সুখী নয়। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা গবেষণায় দেখেছেন, যে নারীরা পুরুষ স্বামীর সাথে বা স্ত্রীর সাথে কিংবা যৌন সঙ্গীর সাথে যৌনমিলনের সময় উৎসাহী বা আগ্রহী হয়ে উঠে না, তারা তুলনামূকভাবে কম যৌন আনন্দ লাভ করে। অথচ তারা এই বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেনা। যৌনতা এবং যৌন সর্ম্পক নারী পুরুষের জীবনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় এবং জীবন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। পুরুষ এবং নারীর যৌনতা সাথে সম্পর্কের ফলে যৌন আনন্দ যেমন লাভ করে তেমনি শিশুর জন্ম দিতে পারে । যৌন সম্পর্ক তৈরীর প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না যৌনমিলনের জন্য প্রয়োজনীয় কি কি বিষয় সম্পর্কে জানা উচিত। মানুষের শরীরের বাহ্যিক ইন্দ্রিয়ের গঠন এবং ভেতরের ঘঠন এক নয়। আবার পুরুষ এবং নারীর শরীরের গঠনে ও কিছুটা পার্থক্য রয়েছে । নারীর শরীর পুরুষের চেয়ে অপোকৃত স্পর্শ কাতর। নারীর কোনো অঙ্গে স্পর্শের ফলে শরীর যৌন অনুভূতি এবং সাড়া জাগাতে পারে পুরুষকে সে বিষয়ে জানতে হবে। তেমনি আবার নারীরও জানা উচিত পুরুষের কোন কোন স্থানে যৌন অনুভূতি ছড়িয়ে রয়েছে। এই ক্ষেত্রে উভইকে অর্থ্যাৎ নারী এবং পুরুষকে উভয়ের দেহ গঠন এবং উভয়ের শরীর সম্পর্কে একটি ধারণা থাকা উচিত। মানুষের যৌন ইচ্ছার বিশ্লেষণ কি? যখন কোনো পুরুষ যৌন চিন্তা বোধ করে তখনই তাদের ভেতর এক ধরণের যৌন অনুভূতি কাজ করতে থাকে। পুরুষের লিঙ্গ দৃঢ় হতে থাকে এবং নারীর যোনি কিছুটা আর্দ্র হতে শুরু করে । যৌন ইচ্ছার জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করে মানুষের মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম মানুষের যৌন অনুভূতিকে প্রথম জাগিয়ে তোলে। মস্তিষ্কের সেরেব্রাম অংশে যৌন চিন্তা উদিত হয়। তারপর এই চিন্তার সূত্র ধরে তা তাড়িত হয়ে পুরুষের অথবা নারীর যৌনাঙ্গে অনুর্বর হয়। নানা ধরনের যৌন চিন্তা, যৌন স্মৃতি, যৌন ইচ্ছাকে চাঙ্গা করতে থাকে এবং যৌন অনুভূতি এই সময়ে বেড়ে যেতে থাকে। এই সময়ে পুরুষ ও নারী ইচ্ছার পূর্ণতা খুঁজে পায় এবং যৌনমিলনের আগ্রহী হয়ে উঠে। তবে নানা বিধ শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা পুরুষ কিংবা নারীর ইচ্ছা এবং যৌন শক্তিকে কমিয়ে দিতে পারে। যৌন উত্তেজনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উভয়ের শরীরেই এক প্রকার অস্থিরতা দেখা দেয় যা চরমপুলকের বিষয়টি হলো পুরুষের ক্ষেত্রে বীর্যপাত এবং নারীর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত আনন্দ লাভ। পুরুষের লিঙ্গের ণস্থায়ী স্পর্শে নারীর ভেতর যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তা পুরুষ যেমন উপভোগ করে , নারীও তেমনি উপভোগ করে। অনেক নারীর যৌনান্দ আরো তীব্র হয় কিটোরিসের স্পর্শের দ্বারা। পুরুষ ওরাল সেঙের মাধ্যমে হয়তো এটা করতে পারে। যৌনমিলনের সময় উভয়ের দৈহিক অস্থিরতা যৌন উত্তেজনার প্রধান চিহ্ন।
(iha ekti bangla choti r site, sob choti golpo, বাংলা চটি, চটি গল্প, sex problem, সেক্স সমস্যা) 
| ৯:০৪ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

ছেলে এবং মেয়েদের যৌন অক্ষমতার সমস্যা এবং তার সহজ মেডিকেল সমাধান (Medical Solution of some sex facts of Boys and Womens)



বাংলাদেশ একটি কনসারভেটিভ দেশ, তবে বর্তমানে এদেশের সেক্স কালচার অনেক ফাস্ট, অনেক কম বয়স থেকেই ছেলে মেয়েরা সব কিছু জানে, বুঝে এবং করে ( বিশেষ করে শহরে )।, কিন্তু সেক্সের এট্রাকটিভ দিক গুলোতেই সবার সাভাবিক ভাবেই আকর্ষন বেশি এবং এসব সমন্ধে জানার আগ্রহ থাকে, বেশি। তবে সেকসু্যাল সমস্যার বেপারে রয়ে গেছে ভয়ানক অগ্যতা, এবং যা জানা থাকে তার বেশিরভাগি ভুল তথ্য। আমি এই পোস্টে এইডস এর বেপারে কোনো আলোচনা করবো না কারন বিদেশি ফান্ডের সুবাদে এই সমন্ধে যথেষ্ঠ প্রচারনা হয়। কিন্তু এইডস হচ্ছে একটি রেয়ার প্রবলেম, এর থেকে কমন কমন সমস্যা সমন্ধে বেশিরভাগ মানুষের কোন আইডিয়া নাই, যেসব সমস্যা ঘরের কাছের সমস্যা। আর কমন সমমস্যার নিয়ে অনেক আরটিকেল পেপার মেগাজিনে পরলেও এর সঠিক মেডিকাল সমাধান খুব কমি পরসি। তাই আমি চেষ্টা করবো কমন লেংগুয়েজে শুধু মাত্র মোস্ট কমন কারোন গুলো উল্যেখ করার এবং সহজ সমাধান গুলো তুলে ধরার চেস্টা করলাম। ছেলেদের কমন সেকসুয়াল সমস্যা এবং তার সমাধান।
মেইল ইমপোটেন্স:
ছেলেরা যেই বেপারে সবচাইতে বেশি চিন্তিত থাকে সেটা হচ্ছে ইরেকশন প্রবলেম। যদিও এই সমস্যা মধ্যবয়সিদের মাঝে বেশি দেখা দেয়, কিন্তু অনেকগুলো কারোনের জন্য দেশের যুবক শ্রেনিদের মাঝেও এখন এই সমস্যা টা একটি বরো সমস্যা।
ধুমপান: ইউথ ইমপোটেন্স বা যুবকদের যৈন অক্ষমতার প্রধান কারন গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ধুমপান, বাংলাদেশের মোটামুটি সবাই ধুমপান করে যা নাকি ওয়ার্ল্ডের ওয়ান অফ দা হাইয়েস্ট। দেশে অনেক আজিরা কথা প্রচলিত আছে যেমন গোল্ড লিফ খেলে সেক্স পাওয়ার কমে যায়, আর বেনসন খেলে তেমন একটা খতি হয় না। ইটস আ বুলশিট। নিকোটিন সব সিগারেটেই আছে কম বেশি আর সিগারেটের অন্যান্য খতিকারক কেমিকাল গুলো সব সিগারেটেই সমপর্যায়ে থাকে। যেসবের কারনে পেনিসের রক্তনালি সংকচিত হতে থাকে।
ছবি
স্ট্রেস: এটি পশ্চমা দেশ গুলোতে ইমপোটেন্সের প্রধান সমস্যা তবে দেশেও এটি একটি উল্যেখযোগ্য কারন। বিভিন্য কারনে যদি মাথায় বিভিন্য ধরনের টেনশন থাকে তাহলে ব্রেইন সেক্সের দিকে যথেষ্ঠ এটেনশন দিতে পারেন না। আপনার যদি সেক্স করার সময় ( এনাফ ) ইরেকশন না হয়ে থাকে, কিন্তু মর্নিং ইরেকশন ঠিক থাকে তাহলে মনে করবেন আপনার ফিসিকাল পাওয়ার ঠিকি আছে কিন্তু স্ট্রেস বা অন্য কোন মানসিক সমস্যার কারনে মেন্টাল কনসেনট্রেশন টা নেই। ড্রাগস: ড্বাগসের মধ্যে বিশেষ করে হেরোইন এর জন্য ইমপোটেন্স হতে পারে। কোকেইন সেবনে প্রথম দিকে সাময়িক ইরেকশন হলেও পরে সেটা আর হয় না এবং উল্টো খতি করে।
ওভার এক্সপেকটেশন: এটি আসলে কোন সমস্যা না। এটি ভুল বুঝা বা জানার জন্য হয়। সেক্স কালচার বেশি অপেন হওয়াতে পর্ন দেখে বা মৈখিক মিথ্যরচনার কারনে দেশ বিদেশ সব খানেই সেক্স পাওয়ার সমন্ধে ৯০ ভাগ মানুশের একটি ভুল ইমেজ তৈরি হয়েছে। এই বেপারে দেখা যায় যে মানুশ মনে করে তার হয়তো সেক্স পাওয়ার কম, কিন্তু ডাক্তারের কাছে গেলে কোনকিছু ধরা পরে না ( যদিও দেশের ডাক্তাররা অযথা অনেক টেস্ট করাবে)।, ডাক্তার জিগ্যেশ করার পর দেখা যায় তার সেক্সয়াল একটিভিটি নর্মালি আছে, কিন্তু পেশেন্ট সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। মানুস মনে করে যে ডেইলি এবং লং এনাফ সেক্স করতে না পারাটাই অক্ষমতার লক্ষন। আবার অনেকে তার পেনিসের লেনথ নিয়ে খুশি নয়। এসব হচ্ছে অযথা টেনশন, পর্ন মুভিতে যা দেখানো হয় সেটা নর্মাল সেকসুয়াল একটিভিটি নয়। আপনার বউ ( সেক্সুয়াল পার্টনার) কে জিগ্গেশ করুন যে সে সেটিসফাইড নাকি, তাহলেই কিস্সা খতম। এক্সেসিভ পর্ন দেখার বদৈলতে আবার নিজের বউ বা সেকসুয়াল পার্টনারের প্রতি এট্রাকশন কমে যায় অনেকের।
জেনে রাখা ভালো, এভারেজ সেক্সয়াল ফ্রিকয়েন্স হলো সপ্তাহে ৩ বার।
ডিইরেশন ১৫ মিন। পেনিস লেনথ রেস অনুযায়ি ভেরি করে। ইউরোপ এমেরিকা: ১৪,৫ সে. মি. চায়না/ জাপান: ১২ সে.মি. সাবকন্টিনেন্ট ( ইন্ডিয়া/ বাংলাদেশ): ১৩ সে.মি. থেরাপি:
সবচে এফেকটিভ থেরাপি হচ্ছে চেন্জ অফ লাইফ স্টাইল
-ধুমপান বন্ধ করুন। বেপারটি খুবি কঠিন, এই বেপারেও আপনি সঠিক মেডিকাল গাইড পেতে পারেন আপনার ডাক্তারের কাছ থেকে।
-যথেষ্ঠ বেয়াম করুন। ফিসিকাল মুগমেন্ট ভায়াগরা বা অন্যান্য অষুধ থেকে অনেক বেশি এফেকটিভ, বিশেষ করে ইয়াং দের জন্য। -সেক্স বেপারটাকে স্পোর্টসের মতন দেখবেন না যে এটা তে আপনাকে ফার্সট প্রাইজ আনতেই হবে। বাট হালকা / রিলেক্স ভাবে নেন দেখবেন ফার্সট প্রাইজ থেকা বেশি এনজয় পাচ্ছেন।
-ভায়াগ্রা থেরাপি ডাক্তারের পরামর্শ ছারা শুরু করবেন না। এতে সাময়িক উপকারিতা পেলেও লং টার্মের জন্য এফেকটিভ থেরাপি নয়। -আল্টারনেটিভ ( ফুটপাথের সপ্নে পাওয়া ) ওৈষধ থেকে ১০০ মাইল দুরে থাকুন )
মেয়েদের কমন যৈন অক্ষমতার সমস্যা:
মেয়েদের যৈন অক্ষমতার বেপারে রয়েছে আরো বেশি নলেজের অভাব। এটা যে হয় সেটাই ৯০ ভাগ মানুশ জানে কিনা সন্দেহ আছে, এমনকি স্বয়ং মেয়েরাও জানে না অনেক সময়। দেশে আমি এই পর্যন্ত কোথাও এই বেপারে কোনো আরটিকেল দেখি নাই।
ভাজাইনাল ড্রাইনেস এবং পেইনফুল ইন্টারকোর্স:
মেয়েদের বেলায় সেক্সুয়াল এরাউসালের ( যৈন উত্যেজনার ) সময় লুব্রিকেশন (যোনিরস) হয় যার ফলে ভাজায়না ভিজে যায় এবং সেক্স করতে ( পেনিস ঢুকতে ) সুবিধা হয়। লুব্রিকেশনের বেশির ভাগ ফ্লুইড (রস) ভাজাইনার দেয়াল থেকে নির্গত হয় তবে ছোট একটি গ্লেন্ড ( থলি )থেকেও কিছু বর হয়। অনেক মেয়েদের সমস্যা দেখা দেয় যে লুব্রিকেশন হয়না বা সময়মত হয়না, যার ফলে সেক্স এনজয়ের বদলে পেইনফুল হয় ( পেইনফুল ইন্টারকোর্স)।,বেশিরভাগ মেয়েরা সেটা তার হাসবেন্ড কে জানায় না নিজের অক্ষমতা মনে করে। কিনতু এখানে খোলামেলা কথা না বললে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ভাজাইনাল ড্রাইনেসের সবচে বরো কারনটা আসলে ছেলেদেরই দোষ। ইন্টারকোর্স ( ভাজিনাতে পেনিস প্রবেশে) এর পুর্বে যথেষ্ঠ স্টিমুলেশন ( যৈন উত্যেজনা ) না থাকলে লুব্রিকেশন সময় মতন হয় না। ইন্টারকোর্সের আগে যথেষ্ঠ সময় আর এটেনশন নিয়ে সেক্সয়াল স্টিমুলশন ( কিসিং, সাকিং ) করলেই বেশিরভাগ বেলায় এর সমাধান সম্ভব। ছেলেদের যেমন পেনিসে রক্তনালিতে ফেট ( চর্বি ) জমার কারনে ইমপোটেন্সি হয় তেমনি মেয়েদের বেলাতেও তেমনি ভাজাইনাল ব্লাড ভেসেলের ( রক্তনালিতে ) চর্বি জমলে এই সমস্যা হতে পারে। তাই ব্লাড ভেসেলের চর্বি কমানোর চেস্টা করতে হবে। ফেট কম খাওয়া, বেয়াম করা, সিগারেট না খাওয়া হল এর উপায়।
আর্টফিসিয়াল লুব্রিকেশন: এরপরেয় যদি এনাফ লুব্রিকশন না হয় এবং সেক্স পেইনফুল হয় তাহলে আর্টিসিয়াল লুব্রিকেশন ( নকল যোনিরস) ইউজ করা যায়। দেশের মেয়েরা সাধারনত তেল বা ভেসলিন ইউজ করে থাকে কিন্তু এতে সমস্যা হচছে যে বেশি ইউজ করলে ভাজাইনার নরমাল বেকটেরিয়াল ফ্লোরা ( শরিরের জন্য উপকারি বেকটেরিয়া ) নষ্ট হয় এবং তাতে ঘন ঘন ভাজাইনাল ইনফেকশন হতে পারে। এর জন্য স্শেপয়াল আর্টিফিসিয়াল লুব্রিকেশন পাওয়া যায় যা নাকি ঘন পানির মতন হয়। ( বাংলাদেশে আছে কিনা জানিনা )।, যদি তেল বা ভেসেলিন ইউজ করা হয় তাহলে সেটা সেক্সের পরে পানি দিয়ে ধুয়ে। 
| ১২:৪৩ am | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

স্বমৈথুন / আত্ম মৈথুন/ হস্তমৈথুন (Masturbation)

 

যখন একজন মানুষ অন্য কোনো মানুষের বা প্রানীর সংস্পর্শ ছাড়া নিজে নিজেই যৌনক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং চুড়ান্ত পরিতৃপ্তি লাভ করে তাকে আত্ম মৈথুন বা স্বমৈথুন বলা হয়। পুরুষেরা সাধারনত বালিশ বা বিছানার সাথে পুরুষাঙ্গ ঘর্ষনের মাধ্যমে এমনটি করায় অভ্যস্ত হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন ধরনের বোতল, টেষ্ট টিউব, রাবারের তৈরী কৃত্রিম যোনিপথ বা ডিভাইস, খেলনা পুতুল ইত্যাদি সামগ্রীও এজন্য ব্যবহার করতে দেখা যায়। যখন হাতের সাহায্যে একাজটি করা হয় তাকে হস্ত মৈথুন বলে। মহিলারা সাধারনত একটি আঙ্গুলের

সাহায্যে আলতোকরে একটা নির্দিষ্ট ছন্দে ভগাঙ্কুর (Clitroris) ও যোনি পাপড়ি (Labia minora) মর্দন করে যৌন পরিতৃপ্তি নিয়ে থাকে। এছাড়া হাত, বালিশ, বিছানা বা এই জাতীয় কিছু দিয়ে যৌনাঙ্গ চেপে ধরে রেখেও অনেকে পূর্ন পরিতৃপ্তি নেয়। রাবারের তৈরী কৃত্রিম পুরুষাঙ্গ, নিজের আঙ্গুল, কাঠের মসৃন দন্ড, টেষ্ট টিউব ইত্যাদি সামগ্রী যোনি পথে প্রবেশ করিয়েও অনেকে আত্ম মৈথুন করে থাকে। আত্ম মৈথুন কে স্বাভাবিক যৌনাচার হিসেবে গন্য করা হয়। তবে কেউ যদি সুস্থ্য ও সম্মত যৌনসঙ্গী থাকা সত্ত্বেও আত্মমৈথুন কেই কেবল পরিতৃপ্তির মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে তাহলে তা স্বাভাবিক নয় বলে ধরে নেয়া হয়। জনসম্মুখে আত্মমৈথুন করাটাও স্বাভাবিক যৌনাচার নয়, একে বিকৃত যৌনাচার হিসেবে গন্য করা হয় এবং এটা শাস্তিযোগে অপরাধ।
| ৭:৫২ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

(নারী) পুরুষের যৌণ সমস্যা নাকি আমাদের শিক্ষার সমস্যা ?

এইটা একটি হালকা (বাজেট, অর্থনীতি , পুঁজিবাদ কিংবা ডিজিটাল বাংলাদেশের তুলনায়) লেখা । মানে , আপনি যদি তরুণ বয়সের কোন পুরুষ না হোন বা আপনার জীবনে জ্ঞানী বন্ধু , বড় ভাই কিংবা জ্ঞানের সূত্রের অভাব না থাকে , তাহলে এই অভিজ্ঞতার সাথে আপনি পরিচিত নন। তাই, নির্বিঘ্নে অন্য কোন পোস্টে চলে যেতে পারেন । এইটা কোন আদিরসাত্মক কিংবা ধর্মীয় পোস্ট নয় । সুতরাং, যারা ডাক্তারের মত নিরাসক্ত দৃষ্টি নিয়ে সমস্যাকে বিশ্লেষন করতে পারেন না , তারাও এখনি অন্য পোস্টে চলে যেতে পারেন। 
-------------------------
শুরু করি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে । 

আমার ধারণা ছিলো , ডাক্তার হিসেবে আমি খুব একটা খারাপ বুঝাই না। তো একজন অনুজ , নতুন বন্ধু আমার ডাক্তার পরিচয় পাওয়ার পরে একদিন সন্ধ্যায় ইচ্ছে করে আমার সাথে বাড়ি ফিরতে চাইলেন। তার বাড়ির রাস্তা ভিন্ন দিকে আর আমিও রোগী দেখে দেখে ততদিনে বুঝতে পারি অনেক কিছুই। বুঝলাম , একটু আড়ালে কিছু আলোচনা করতে চান। আন্দাজে ভুল হয়নি। অতি সংক্ষেপে তিনি আমাকে জানালেন তার প্রেমিকার সাথে তার প্রথম যৌণ অভিজ্ঞতায় তার অতি দ্রুত স্খলনের ( প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন) সমস্যার কথা। ঘটনাটা তাকে এতটাই বিপর্যস্ত করেছে, তিনি একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ওষুধ নিয়েছেন। আরো অনেকের সাথে কথা বলে পথ্য সংগ্রহ করেছেন । এখন তিনি আমার কাছে সেই সব ওষুধের / ব্যবস্থাপত্রের ভালো মন্দ যাচাই করতে চান। আমি হতভম্ব !
প্রথমত , আমার ডাক্তারি বিদ্যা যৌণ সমস্যা লাইনের নয় । তাই বুঝলাম বাংলাদেশের মানুষ ডাক্তার শ্রেণীটার উপরে কতটা হতাশ ও আস্থাহীন হলে কেউ বিশ্বাসযোগ্য যে কোন মানুষ খোঁজে!
দ্বিতীয়ত, এই ছেলেটি যথেষ্ট শিক্ষিত, মুক্তমনা ও যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী । সুতরাং , ইউনানী, কবিরাজি , তুক্তাক বিদ্যার উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
তৃতীয়ত, তার কাছ থেকে ওষুধের লিস্ট দেখার পরে বুঝলাম, তার এই " শিক্ষা" ও "যুক্তি" তার কোন কাজেই আসে নাই । কারণ , কবিরাজি তুকতাক এড়াতে পারলেও এই তরুণ বৈজ্ঞানিক বা এলোপ্যাথির তুকতাক এড়াতে পারেন নাই।

মানে কি? 

তার লিস্ট জুড়ে কেবল ভিটামিন আর ভিটামিনের নাম। একই ভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন নামে। একই ধরনের মাল্টিভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির । তার ধারণা , উনি ১১ টি ভিন্ন অষুধের নাম লিখে এনেছেন । ( যে যা বলেছে , তার সব গুলাই । এবং যৌণ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রেসক্রিপ্শন শুদ্ধ )
এরপর , আমি তাকে যতই বুঝাই , যত ভাবেই বুঝাই , এগুলো কোন রোগের ওষুধ না । কিংবা , তার কোন রকম রোগ নাই। কিংবা , দ্রুত স্খলন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন কোন যৌণ রোগ না - উনি কিছুতেই কিছু বুঝে না । কোন রকম গঠনগত (এনাটমিকাল) কিংবা কার্যকারিক (ফিজিওলজিকাল) কোন রকম রোগ বা সমস্যা যদি থেকেও থাকে , সেইটা ভিটামিন দিয়ে সারবে না - এইটাও তার মাথায় ঢুকাইতে পারলাম না ।
তার মাথায় গেঁথে গেছে , উনি যৌন ভাবে দুর্বল । আর আমি ভাবছি - ভিটামিনও একটা ওষুধ । এক সাথে এক গাদা খেলে ভিটামিনোসিস নামক বিষক্রিয়াতে না আক্রান্ত হয়!

শেষে কি হলো? 

কিছুদিন পরে উনি জানালেন , ভিটামিন গুলো খাওয়াতে তার অনেক উপকার হয়েছে । তিনি এখন তার কাজে আগের চেয়ে ভালো মান দেখাতে পারছেন । আমি একই সাথে স্বস্তি আর হতাশার একটা কাষ্ঠ হাসি দিলাম। স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে । আর হতাশা এই জন্য যে, এই ছেলেটি আরো হাজার হাজার বাংলাদেশী তরুণের মত হলফ করে বলবে,
১। আমার মত দুইপাতা ডাক্তারি পড়া ডাক্তাররা কিচ্ছু জানে না। যৌণ দুর্বলতা একটা ভয়ংকর রোগ।
২। মাত্র ১১ প্রকারের ( আসলে একই ) ভিটামিন , মাল্টিভিটামিন খেলেই এই রোগ থেকে ভালো হওয়া যায়।
৩। উপরের দুইটা কথার প্রমাণ উনি নিজে।

তাহলে সমস্যাটা কোথায় ? 

আসুন , আমরা একটু বুঝার চেষ্টা করি ঘটনাটা আসলে কি ঘটেছে। ছেলেটির সমস্যা ছিলো অতিদ্রুত স্খলন। এর সরাসরি ফলাফল যেইটা হয় , পুরুষ বা নারীর যৌণ তৃপ্তি বা ক্লাইমেক্স / অর্গাজম এ পৌছানোর আগেই সঙ্গম শেষ হয়ে যাওয়া । ব্যাপারটা অনেকটা প্রচন্ড ক্ষুধার মুখে দুই লোকমা খাওয়ার পরে প্লেট কেড়ে নেওয়ার মতন। বিস্তারিত আর বললাম না ।

কেন ঘটে এই রকম? যাদের সত্যি সত্যি কোন রকম ইনফেকশন ( যৌণ রোগ), এনাটমিক বা যৌণাঙ্গের গঠনগত সমস্যা আছে কিংবা ফিজিওলজিকাল বা কার্যকারিতার দিক থেকে কোন সমস্যা আছে - তারা ছাড়া বাকি সবার জীবনেই এইটা ঘটতে পারে মানসিক কারণে ।
প্রথমত, জীবনে প্রথম যৌণ সঙ্গম করতে গেলে ১ম কিছুদিন অতিরিক্ত উত্তেজনার কারণে অতিদ্রুত স্খলন ঘটতে পারে। নিজের উত্তেজনাকে মানসিক ও শারীরীক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারাটাই কারণ ।
দ্বিতীয়ত , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণে কোন রকম অপরাধবোধে ভুগলে ।
তৃতীয়ত , কোন কারণে যথেষ্ট সময় না থাকলে তাড়াহুড়া ও টেনশনে ।
চতুর্থত , আত্মবিশ্বাসের অভাব থেকে অতিরিক্ত টেনশনে ।
পঞ্চমত , সঙ্গিনীর সাথে কোন কারণে যথেষ্ট স্বস্তি বা কম্ফোর্ট লেভেল না থাকলে ।

এখন কথা হলো , এর জন্য ওষুধ বা ভিটামিন খাওয়া কত জরুরী? 

যাদের কোন কারণে যৌণ রোগ বা ইনফেকশন আছে কেবল তাদের জন্যই ঔষুধ প্রয়োজন হতে পারে। জীবনের ১ম যৌণ অভিজ্ঞতায় কোন রোগ কারণ না হওয়ারই কথা । রইলো বাকি এনাটমিকাল ও ফিজিওলজিকাল কোন সমস্যা । এইটা প্রকৃতিতে খুবই রেয়ার। ডাক্তারের পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে এইটা বের হয়ে আসবে। কিন্তু উল্লেখিত তরুণের এই ধরনের কোন সমস্যা ধরা পড়ে নাই।

আর মানসিক সমস্যার জন্য ভিটামিন? বুঝতেই পারছেন, এইটা ঠিক খাপ খায় না । তারপরেও মাঝে মাঝে নাছোড়বান্দা রোগী হইলে কিছু ডাক্তার রোগীর মন রক্ষা করতে গিয়ে ভিটামিন, স্যালাইন - এইসব বেকার জিনিস পত্র প্রেস্ক্রাইব করেন। তাহলে ছেলেটি উপকার পেলো কি করে?

এখানে আমাদের আসলে তার সমস্যার মূলে পৌছাতে হবে। আমি যা বুঝেছিলাম, উনি তার প্রেমিকাকে তৃপ্ত করতে পারবেন কি পারবেন না সেই অতিরিক্ত টেনশন, সাথে ১ম বারের অতিরিক্ত উত্তেজনা = এর ফলে সমস্যায় পড়েছিলেন। ভিটামিন খাওয়ার পরে তার ভিতরে বিশ্বাস চলে আসে যে উনার সমস্যা মিটে গেছে । উনি এখন যৌন ভাবে সবল । এই ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাস ও কমফোর্ট লেভেল তাকে যে রিল্যাক্সসেশন বা আরাম দিয়েছে - তাতেই উনি পরের বার গুলোতে ভালো পারফর্ম করতে পেরেছেন।

এখন , ঝড়ে বক পড়লো আর তাতে ফকিরের / ভিটামিনের কেরামতি বেড়ে গেলো।

এই রকম কেরামতি কেন দরকার হয়? মূল সমস্যা কি? সমাধান কি? 

একজন ডাক্তার হয়েও সেই তরুণকে বুঝাতে ব্যর্থ হওয়ার পরে আমি এইটা নিয়ে অনেক ভেবেছি। কেন উনি বুঝতে চাইলেন না একেবারেই? এবং ভেবে ভেবে , তার সাথে এর উপরে পড়ালেখা করে আমি যা বের করেছি তা হলো , মানুষের বিশ্বাসের সাথে তথ্যের লড়াইয়ে বিশ্বাসের জয় হবেই। এই তরুণের বয়ঃসন্ধির সময় থেকেই কোন যৌণ শিক্ষা নেই । তার শেখার সূত্র ছিলো হয়ত আদিরসাত্মক সাহিত্য , নীল ছবি কিংবা নিদেন পক্ষে বড় ভাইদের অভিজ্ঞতা । এর কোনটাই সঠিক শিক্ষা দেয় না , দিতে পারে না । বরং এসব থেকে মানুষ বেশির ভাগ সময়েই ভয়াবহ ভুল শেখে । আবার এই সব সূত্র গুলো কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা সমস্যা আর কোনটা রোগ- তাও শিক্ষা দেয় না । যারা এই সব নোংরা পথে কিছু শিখতে পছন্দ করেন না , তাদের জন্য কি কোন ভিন্ন পরিষ্কার পথ খোলা আছে? সার্বিক ভাবে - নাহ। যারা সেই রকম উচ্চ শিক্ষিত এবং ইন্টারনেট এ সংযুক্ত , তারা কিছুটা ভালো অবস্থানে আছেন। ইন্টারনেট থেকেই শিখতে পারেন কিন্তু সেই ওয়েবসাইট গুলো কি নির্ভরযোগ্য?

এইখানে, আবার একটা মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। অনেক দিন পর্যন্ত ইংরেজি ছবির নায়ক-নায়িকাদের দেখে দেখে আমার ধারণা ছিলো পশ্চিমা পুরুষ এর বুকে ও নারীদের হাতে পায়ে কোন লোম থাকে না । বড় হয়ে সেই কুশিক্ষা আমার দূর হয়েছে মেডিকেলে পড়তে গিয়ে। সুতরাং, দেখুন, এমন কি ছবিও কি ধরনের ভুল শিক্ষা দেয় মানুষকে !


আমাদের দেশের তরুণ তরুণিদের তাই মূল সমস্যা হলো একটা ভালো, ভদ্র , পদ্ধতিগত ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষা বা জ্ঞানের মাধ্যম - যা থেকে মানুষ সঠিক শিক্ষাটা নিতে পারে- তার অভাব। আর এরই সুযোগ নেয় যত রকমের মঘা, ইউনানী, কবিরাজি , হার্বাল আব জাব কোম্পানি গুলো। বাংলাদেশে অশিক্ষা তো আছেই , তার চেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো , যারা স্কুল কলেজে পড়েন, তারা কুশিক্ষিত কিংবা অর্ধ শিক্ষিত ।



এখনো মানুষ জানে না , মেয়েদের প্রতি মাসে রক্তপাত হওয়াটা (মাসিক বা রজঃস্রাব) যেমন একটা স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া , সেই রকম পুরুষের কিছুদিন পর পর ইরেকশন বা যৌণাঙ্গ দৃঢ় হওয়া থেকে শুরু করে ইজাকুলেশন বা ধাতু নির্গত হওয়াটা একটা অতি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া । স্বপ্নদোষ নামে যাকে ধর্মভীরু মানুষ এটা সেটা খেয়ে রোগমুক্তির আশা করে, সেইটা আসলে কোন রোগই না । একবার চিন্তা করুন, মেয়েরা যদি দল বেধে "ঋতুদোষের" জন্য কবিরাজি ওষুধ খাওয়া শুরু করে তাহলে ব্যাপার কি দাঁড়াবে?

সময়ের আগেই ধাতু নির্গমন বা ইজাকুলেশন কোন দুর্বলতার লক্ষণ নয় । এইটা কোন রোগও নয়। তবে , পুষ্টিহীন নারী শরীরে যেমন ঋতুস্রাবের সমস্যা হতে পারে, অতিরিক্ত পুষ্টিহীনতায় ভুগলে পুরুষেরও পারফর্মেন্সে ঘাটতি হতে পারে। তবে সে সব ঘাটতি কবিরাজি, ইউনানী হালুয়া খেয়ে কিংবা মলম মেখে দূর করা যায় না । বেটার পার্ফর্মেন্সের জন্য চাই বেটার স্বাস্থ্য । সুস্বাস্থ্য।

যারা জানেন না , তাদের জন্য বলি, অতিরিক্ত শুকনা কিংবা অতিরিক্ত মোটা হলে , উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে , সিগারেট - মদ জাতীয় বদভ্যাস থাকলে - যৌণ দক্ষতা কমে যেতে পারে। বাচ্চা হতেও সমস্যা হতে পারে। তার মানে এইনা যে আপনাকে সব ছেড়ে ছুড়ে দিয়ে জিমে গিয়ে ডাম্বেল ভাজতে হবে, কিন্তু , স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান না হলে প্রেমিকা /স্ত্রীর প্রেম পাইতে কিংবা বাচ্চার বাপ হইতে সমস্যা হতেই পারে।


যারা যৌণ শিক্ষার নাম শুনলেই সব গেলো গেলো বলে চিল্লাতে ভালোবাসেন, সেই সব মানুষদের মন রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের পাঠ্য বই গুলাতে যথা সম্ভব কম তথ্য দেওয়া থাকে। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে , উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত আগে মানব দেহ সিলেবাসেই ছিলো না ( বায়োলজি) । আশা করি এখন সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মানুষের যৌণ বা রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম আমি উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াতে দেখিনি।এমন কি , মেডিকেলের ফিজিওলজি ম্যাডাম আমাদের বলেছিলেন, " এইটা তোমরা বাড়িতে পড়ে নিও।" এই থেকেই বুঝা যায় , মানুষের দেহের এই অংশ বা সিস্টেমটিকে নিয়ে সঠিক শিক্ষার পরিবেশ বাংলাদেশে প্রায় অনুপস্থিত । কিন্তু তাতে কি প্রলয় বন্ধ আছে?

যারা বলেন, সঠিক যৌণ শিক্ষা দিলে মানুষের নৈতিক আচরণে ধ্বস নামবে , এতদিন তো এই শিক্ষা বাংলাদেশে বন্ধই আছে এক রকম, তাতে কি ধ্বস নামা বন্ধ হয়েছে? কমেছে? নাকি, বেড়েছে?
যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে । কিন্তু যৌণ সঙ্গম কি বেড়েছে না কমেছে?
যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষকে যৌণ সুড়সুড়ি দেওয়া কি বন্ধ আছে?
যারা এর বিরোধিতা করেন, তারা কি দায়িত্ব নিয়েছেন ছেলে মেয়ে গুলো যাতে কোন বিপদে না পড়ে , অশিক্ষা - কুশিক্ষা জনিত স্বাস্থ্যহানি না ঘটায় - সেইটা বন্ধে?
অসামাজিক কার্যকলাপ বাদ দেন, যারা সামাজিক কার্যকলাপ (বিয়ে, বাচ্চা নেওয়া, একটা স্বাভাবিক যৌণ জীবন কাটাতে চান) করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিপদ , আপদ, রোগ, শোক, বিব্রতকর অবস্থা এবং কখনো কখনো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছেন , তাদের শিক্ষার কোন ব্যবস্থা কি নিয়েছেন?

আমরা যারা ডাক্তার , তারা প্রতিদিনই কারো না কারো মারাত্মক কোন সমস্যার কথা শুনি বলে আমরা টের পাই , এই " লুকিয়ে রাখা" , " চেপে রাখা" , "দমিয়ে রাখা" যৌণ অজ্ঞতাজনিত সমস্যা গুলো কি হারে মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করছে। আর কত সহজেই একটা সঠিক শিক্ষা মানুষকে এই কষ্ট গুলো থেকে রক্ষা করতে পারে।
কিছু ঘটনা ঃ 

১। এই ২০১০ সালেও এসে শুনতে হয় মঘা , ইউনানী, কবিরাজি, মান্ডার তেল আর শিয়ালের বাম এর বেচাবিক্রির শোর গোল।
২। এই যুগেও মানুষ জানে না কোনটা স্বাভাবিক যৌণতা আর কোনটা অস্বাভাবিক।
৩। অতি আধুনিক দম্পতিকেও বিয়ের পরে পর্ণ দেখে শিক্ষা নিতে হয় কেমনে কি করে। যারা এই সব দেখা পাপ বলে বিশ্বাস করেন, তাদের অবস্থা আরো করুণ।
৪। পতিতার কাছ থেকে "অভিজ্ঞতা" ও "জ্ঞান " আহোরণ করতে গিয়ে যৌণ রোগ বাধিয়ে আসে।
৫। জানে না কিভাবে বাচ্চা হয়।
৬। বিয়ের আট মাসেও না জানা কি ভাবে সঙ্গম করতে হয়।
৭। জানে না কি ভাবে গর্ভ ধারণ আটকানো যায়।
৮। অবৈধ গর্ভপাত এখনো বাংলাদেশের অন্যতম বড় ব্যবসা।
৯। এখনো সন্তান ছেলে কিংবা মেয়ে হওয়া নিয়ে স্ত্রীকেই দায়ী করা হয়।
১০। এখনো যে কোন সমস্যা হলে মানুষ পরিচিত ডাক্তারদের কাছে ছোটে । বেশির ভাগই লজ্জায় চেপে রাখে।
১১। এই যুগে মানুষ মান্ডার তেল, শিয়ালের বাম, শিকড় বাকড় , তাবিজ আর ভিটামিন- স্যালাইনের পিছনে টাকা নষ্ট করে।

এখন সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনার কথা বলি । স্রেফ " কি ভাবে আদর করতে হয় জানে না বলে" স্ত্রীকে বছরের পর বছর ধরে যা করা হয়েছে তাকে শুধু তুলনা করা চলে "ধর্ষণ" হিসেবে । স্ত্রী স্বামীকে ভালোবাসেন কিন্তু তার যন্ত্রনা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো যে অত্যন্ত ধর্ম ভীরু সেই দম্পতি যৌণতা এক প্রকার বাদ দেন। এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বামীকে অনুরোধ করেন, " তোমার দরকার হলে তুমি বাইরে থেকে করে এসো । আমি মানা করবো না।"

এখন প্রশ্ন হইলো , আল্লাহ মানুষের ভিতর যৌণ সঙ্গম নামক একটা প্রক্রিয়া দিয়েছেন যার মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা প্রকাশিত হওয়ার কথা। যার মাধ্যমে নতুন শিশু জন্ম হওয়ার কথা । সেই প্রক্রিয়াটা একজন স্ত্রীর জন্য এত কষ্টের কেন হবে? কেন একজন স্ত্রীর মনে হবে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছে ? আর স্বামীই বা কেন বুঝবে না কোনটা ভালোবাসা আর কোনটা ধর্ষণ ? এই মারাত্মক অবস্থাটা কিন্তু আমি দেখেছি আমার পরিচিত গন্ডিতে ! ঘটনার কেউ মূর্খ , অশিক্ষিত নয়। বরং উচ্চ শিক্ষিত । এরা কেউ পাশবিক নয় বরং সঙ্গী- সঙ্গীনীর প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল। এরা কেউ ধর্মহীন নয় - এদের কেউ কেউ প্রচন্ড ধার্মিক ( ১ম তরুণ বাদে) ।

বাংলাদেশের সমাজের যেই অংশটি অশিক্ষিত , তাদের অবস্থা আরো ভয়াবহ।

আমাদের বুঝতে হবে , যৌণ শিক্ষা শুধুমাত্র বায়োলজির বিষয় নয়। এর সাথে জড়িত আছে স্বাস্থ্য। এর সাথে জড়িত আছে যৌণতার সামাজিক, ধর্মীয়/নৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অবশ্যই অর্থনৈতিক ইস্যু । যৌণতার সাথে জড়িত আছে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ও আবেগ এর বিকাশ। এখনো বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার ভয়াবহ। আমরা এখনো এই সব স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করতে পারছি না বলে অন্য কোন দিকে উন্নতির কথা ভাবতেই পারছি না । প্রতিনিয়ত পিছিয়ে যাচ্ছি দুনিয়া থেকে। আমরা কি একটা স্বাস্থ্য, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক,পারিবারিক (বাচ্চা হওয়া থেকে শুরু করে একটা বাচ্চাকে সঠিক ভাবে লালন পালন করতে কি কি করা লাগে, কেমন খরচ হয়) ও নৈতিক শিক্ষাসহ একটা পরিপূর্ণ ও ব্যালেন্সড যৌণ শিক্ষার সিলেবাস তৈরী করতে পারি না? 

দেশে নতুন শিক্ষানীতি চালু হতে যাচ্ছে । সরকার কি যৌণ শিক্ষার এই দিকে কিছু সিস্টেমিক ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন? 

সূত্রঃ সামহোয়ারইন ব্লগ 
| ৬:৩৭ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

কিছু প্রয়োজনীয় সেক্স স্টাইল(Sex Style)


সাধারণত সব শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এমন ধারণা বিদ্যমান যে, মোটা সঙ্গীর সাথে যৌন সঙ্গম করা অসম্ভব সুখপ্রদ নয়। আসলে এক্ষেত্রে শরীরের মেদের চেয়ে মানসিক উৎকণ্ঠাই সঙ্গমের আনন্দকে বেশি ব্যাহত করে। প্রত্যাখ্যানের ভয়, যৌনসঙ্গীর যৌন চাহিদা মেটাতে অক্ষম বা যৌন সঙ্গম করতে অক্ষম এমন ধরনের কিছু সাধারণ দুশ্চিন্তাই যৌনসুখকে সবচেয়ে বেশি বাধাগ্রস্ত করে। পাশাপাশি যৌন সঙ্গমের ঠিক কৌশল সম্পর্কে অজ্ঞতা, সঙ্গমের পুর্বে সঠিকভাবে উত্তেজিত করতে না জানা, যৌন উত্তেজক স্থানসমূহ না চেনা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সঙ্গমের চূড়ান্ত সুখ লাভ করা সম্ভব হয় না। আসলে মোটা লোকদের সম্পর্কে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি অনেকাংশেই নেতিবাচক। ডায়েটিং করা বা দীর্ঘদিন ধরে আংশিক উপোস করার কারণে মোটা লোকদের যৌন বাসনা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি যেসব মহিলাদের ওজন কমতে শুরু করে, তাদের স্বাভাবিক মাসিকচক্রও অস্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। মোটা বা মেদবহুল মহিলারা সাধারণত এমন ধারণা পোষন করে থাকে যে, তাদের পক্ষে কোনো পুরুষকে যৌনসুখ দেয়া সম্ভব নয় বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না। ফলে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়। এই ধরনের আত্মবিশ্বাসহীনতা তাদের যৌনজীবনকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করে।

মোটা পুরুষদের বেলায়ও এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়। প্রত্যাখ্যান হবার ভয়, যৌন সঙ্গম করতে অক্ষম, বা সঙ্গিণীকে যৌনতৃপ্তি দানে অক্ষম বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না এমন ধরনের ধারণা তাদেরকে যৌনসঙ্গম থেকে বিরত রাখে। এ ধরনের মানসিক দুশ্চিন্ত ও সামাজিক দৃষ্টভঙ্গি বা সুযোগের অভাব ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে যৌনসঙ্গম থেকে বিরত থাকলে তারা যৌন সঙ্গমে অক্ষম হয়ে যেতে পারে। আসলে এটি বর্তমানে একটি সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এ বিষয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক গবেষণাও হয়েছে। গবেষণায় কিছু ফলাফল উল্লেখ করা হলো-

মোটা মানুষের বেলায় শারীরিক যৌন চাহিদা স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে। তবে সঙ্গমের বেলায় অতিরিক্ত মোটা হওয়ার কারণে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিবাহিত জীবনে ও যৌন সঙ্গমই মোটা লোকদের আনন্দলাভের গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
ছবি দেখুন
অবিবাহিত মোটা লোকদের বেলায়ও দেখা যায় তাদের স্বাভাবিক যৌন বাসনা রয়েছে। তবে মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে অর্থাৎ তাদের সাথে কেউ যৌনসঙ্গম করতে পছন্দ করে না এমন ধারনা তাদের যৌনজীবনকে বাধাগ্রস্ত করে।

মোটা লোকদের যারা যৌনসঙ্গী খুঁজে পায় না তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।

অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় মোটা লোকেরা যৌন সঙ্গমে অধিক পারদর্শী এবং তাদের যৌনবাসনাও বেশি।

মোটা লোকদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো-তারা সঙ্গমের ক্ষেত্রে কোন আসনে যৌনসঙ্গম করলে তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে তা নির্ধারন করতে পারে না। তবে সঠিক আসন বেছে নিয়ে যৌনসঙ্গম করলে তারাও স্বাভাবিক আনন্দ লাভ করতে পারবে।

আসলে মোটা মানুষের ক্ষেত্রে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে পারলে মোটা লোকদের স্বাভাবিক আত্মবিশ্বাস থাকলে তাদের যৌন জীবনের অনেক সমস্যাই কেটে যাবে।

যৌন সঙ্গমের কিছু আসন
ছবি দেখুন
অনেকক্ষেত্রে দেখা যায়, মোটা লোকেরা তাদের যৌন সঙ্গমের ক্ষেত্রে সঠিক আসন বেছে নিতে পারে না। মনে রাখা প্রয়োজন, মানুষের শরীর মোটা হলে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেদ জমলেও যোনিপথ বন্ধ হয়ে যায় না বা পুরুষাঙ্গ অতিরিক্ত মোটা হয়ে যায় না। আসলে মোটা হলেও প্রকৃতিগতভাবেই সব যৌনসঙ্গমের জন্য উপযুক্ত। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা জানা দরকার তা হলো- সঙ্গমের উপযুক্ত আসন বা কৌশল। প্রয়োজন মনে করলে আপনি এক্ষেত্রে একজন যৌন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।

নিুে প্রয়োজনীয় কিছু যৌন আসনের কৌশল উল্লেখ করা হলো-

পুরুষপ্রধান আসন
ছবি দেখুন
এই আসনটিকে সাধারণত মিশনারি আন বলা হয়ে থাকে। সাধারণত মহিলাটি তার পুরুষ সঙ্গীর চেয়ে মোটা হলে এ ধরনের আসন বেশি কার্যকর হয়। এক্ষেত্রে মহিলাটি চিৎ হয়ে শুয়ে দুই পা কটির দিকে বাঁকিয়ে রাখবে এবং হাঁটু সম্পূর্ণ বাঁকিয়ে দুই উরু যতটা সম্ভব ফাঁক করে ধরবে। এতে করে তার যোনিমুখ সম্পূর্ণভাবে সঙ্গম উপযোগী হবে। তার ভুড়ি খুব বড় হলে এ সময় সে দুই হাতে যোনিমুখ থেকে তা ওপরের দিকে টেনে ধরতে পারে। অন্ততপক্ষে পুরুষ সঙ্গীটি তার উরুর মধ্যে সঙ্গম উপযোগী আসন নেয়ার আগ পর্যন্ত এমনটি করা যেতে পারে। এতেও যদি সঙ্গম করা কষ্টকর হয় তবে মহিলাটি একটি বা একাধিক বালিশ তার নিতম্ব বা পাছার নিচে রাখতে পারে। এক্ষেত্রে সঙ্গম করা সহজতর হয় কারণ এতে করে যোনিমুখ ওপরে উঠে আসে। নিতম্বের নিচে একাধিক বালিশ স্থাপন করলে শুধু সঙ্গম করাই সহজ হয় না বরং সঙ্গমের ক্ষেত্রে ভিন্নতাও আসে। সঙ্গমকালে পা দুটি বিভিন্ন উচ্চতায় উঠালে সঙ্গমের ভিন্ন রকম স্বাদ পাওয়া যায়। যৌন বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন মাত্র তিন ইঞ্চি পরিমাণ উচু নিচু করলে যৌন সঙ্গমের অনেক পরিবর্তন আসতে পারে। এই আসনটিকে মেইল আপারেইট আসন ও বলা যেতে পারে। প্রয়োজন মনে করলে সঙ্গমের সময় পুরুষটি তার নিতম্বের ওপর বসে নিতে পারে। এক্ষেত্রে দুই হাত দিয়ে শরীরের উত্তেজক অংশগুলোতে শৃঙ্গার করতে পারে।

এই আসনের মাধ্যমে সঙ্গম করার সময় পুরুষটি মোটা হলে কতগুলো সাধারণত নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। সঙ্গমের পূর্বে সে তার শরীর ওপরে তুলে ধরবে এবং দুই হাতে ভুড়ি ওপিরে টেনে ধরবে, এতে করে মহিলাটি তার সঙ্গীটির পুরুষাঙ্গ সহজে তার যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারবে। এক্ষেত্রেও মহিলাটি তার নিতম্বের নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। এসময় প্রথমেই মহিলাটির ওপর তার শরীরের সম্পূর্ণ ওজন ছেড়ে দেয়া উচিত নয়। দ্ ুহাতের ওপরে শরীরের ভর রেখে, আস্তে আস্তে চাপ প্রয়োগ করা বাঞ্ছনীয়। তবে মজার ব্যাপার হলো- উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে একজন চিকন বা শুকনো মহিলাও অনেক মোটা শরীরের চাপ সহজেই সহ্য করতে পারে।

আরেকটি বিষয় এখানে মনে রাখা প্রয়োজন তাহলো, মোটা পুরুষের ক্ষেত্রে কিভাবে সে তার শরীরের ওজন মহিলা সঙ্গীটির ওপর প্রয়োগ করবে, তা আসলে নিজেরাই পারস্পরিক বোঝা পড়ার মাধ্যমে ঠিক করে নিতে পারে। যদিও যৌনসঙ্গমের সময় যোনিপথে পুরুষাঙ্গ চাপ দিতে শরীরের ওজন প্রয়োগ করা জরুরি নয় তবে অনেক সময় দেখা যায় শরীরের ওজন কৌশলে কেন্দ্রীভূত করে শুধু যৌনাঙ্গের ওপর প্রয়োগ করলে অধিক আনন্দ পাওয়া যায়।

মহিলাপ্রধান আসন
ছবি
যৌনসঙ্গী অতিরিক্ত মোটা হলে বা দুজনেই মোটা হলে এ ধরনের আসন বেশি কার্যকর বলে যৌন বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন। এই আসনে পুরুষটি চিৎ হয়ে শুয়ে পা সোজা করে রাখবে। এসময় হাঁটু দুটো হাল্কা বাকিয়েও রাখা যায়। ভুড়ি মোটা থাকলে তা দুই হাতে ওপরে টেনে ধরা বাঞ্ছনীয়। এসময় মহিলা তার হাটু বাকিয়ে পুরুষটির যৌনাঙ্গের ওপর মুখোমুখি বসে পুরুষাঙ্গ সহজেই যোনিতে প্রবেশ করিয়ে যৌনসঙ্গম করতে পারে। তবে এই ধরনের আসনে মহিলাটি অতিরিক্ত মোটা হলে কিছু সমস্যা হতে পারে বলে কিছু লোক মনে করে থাকেন। যেমন এতে মহিলাটির অতিরিক্ত চাপে পুরুষটি আহত হতে পারে। তবে অধিকাংশ যৌন বিশেষজ্ঞরা এই আসনটিকে একটি আদর্শ আসন বলে থাকেন। গবেষনায় দেখা যায়, অধিকাংশ মোটা মহিলারা এই আসনটিকে বেশি পছন্দ করে। তবে এই আসনে যৌনসঙ্গম করতে কিছুটা চর্চা ও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

বিপরীতমূখী নারীপ্রধান আসন
ছবি
পুরুষ ও নারী উভয়েরই অতিরিক্ত ভুড়ি থাকলে এই আসনে যৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এই আসনে পুরুসটি চিৎ হয়ে বা পা দুটো সোজা রাখবে বা হাটু হাল্কা বাকিয়ে রাখতে পারে। এসময় মহিলাটি পুরুষটির মুখের দিকে পিঠ দিয়ে হাটু বাঁকিয়ে পুরুষটির উরুর ওপর বসে সহজেই পুরুষাঙ্গ তার যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। এই ধরনের আসনে দুজনের তলপেট একসাথে হয় না বলে সহজেই সঙ্গম করা যায়। এসময় পুরুষটি তার মোটা ভুড়ি ওপরে টেনে ধরে মহিলাটিকে সঠিকভাবে বসতে দেয়া প্রয়োজন। তবে এতে সঠিকভাবে সঙ্গম উপযোগী অবস্থান নিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

পেছনের দিক সঙ্গম করার আসন
ছবি
পুরুষ ও মহিলা অধিক মোটা হলে বা মহিলাটি গর্ভবতী হলে এই আসনে সঙ্গম করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে মহিলাটি হাটু বাকিয়ে সামনের দিকে ঝুকে পা দুটো হাল্কা ফাক করে ধরবে এবং শরীরের ওপরের অংশ নিচু করবে। ফলে যোনিমুখ ওপরে উঠে আসবে। এ সময় পুরুষটি পা বাকিয়ে হাটুর ওপর ভর দিয়ে ভুড়িটি ওপরে টেনে ধরে মহিলাটির পেছন দিক দিয়ে পুরুষাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। পুরুসাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে তলপেট মহিলাটির নিতম্বের ওপর চেপে রেখে সহজেই সঙ্গম করা যায়। তবে পুরুষাঙ্গ আকারে ছোট হলে বা যোনিমুখ ও যৌনাঙ্গের ভেতরের গঠন অস্বাভাবিক হলে পেছন দিক দিয়ে সঙ্গম করতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। আবার মহিলাটির উরু অত্যাধিক মোটা হলে তার হাটু গেড়ে বসতে সমস্যা হতে পারে।

সিম’র আসন

এই আসনটিও পেছন দিক দিয়ে যৌনসঙ্গম করার মত এক ধরনের আসন। এক্ষেত্রে মহিলাটি একদিকে ফিরে শুয়ে হাটু বাকিয়ে ওপরে পা যতটা সম্ভব মাথার দিকে টেনে তুলবে এবং নিচের পা সোজা থাকবে। এতে করে যোনিমুখ ওপর দিয়ে বা পেছন দিয়ে সঙ্গমের উপযোগী হবে। এ সময় পুরুষটি তার দুটি পা মহিলাটির নিচের পায়ের দু দিকে রেখে হাটু গেড়ে বসে পেছন দিকে দিয়ে যৌনসঙ্গম করতে পারে। প্রয়োজন হলে পুরুষটি তার হাটুর নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। মহিলাটি পুরুষটির চেয়ে অধিক মোটা হলে এ ধরনের আসনে যৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এ আসনটি একটু জটিল তবে চেষ্টা করলে বা চর্চা করলে এই আসনে সঙ্গম করা যেতে পারে।

উল্টা আসন (অপসাইড ডাউন পজিশন)

এতে পুরুষ ও মহিলা এমনভাবে বিছানায় কাৎ হয়ে শোবে যাতে একজনের পা অন্যজনের মাথার দিকে থাকে। এভাবে আস্তে আস্তে যৌনাঙ্গ সঠিকস্থানে এনে এই আসনে যৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এতে দুজনের পেটে কোনো সংযোগ ঘটে না।

টি-বর্গ আসন

এই আসনে মহিলাটি তার পা দুটি যতটা সম্ভব ফাঁক করে পিঠের ওপর যথারীতি শোবে। পুরুষটি তার কটির ওপর কাৎ হয়ে শুয়ে মহিলাটির পা দুটি ওপরে তুলে ধরে সহজেই সঙ্গম করতে পারে। এতে তলপেটের সংযোগ ঘটে না।

এক্স-আসন

এটি অনেকটা টি-বর্গীয় আসনের মতই। এক্ষেত্রে মহিলাটি চিৎ হয়ে শুয়ে পা দুটি বাকিয়ে উরুদ্বয় যতটা সম্ভব ফাক করে ধরবে। এই সময় যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করাবার পর মহিলাটি তার পা দুটি একসাথে করবে এবং পুরুষটির শরীরে তখন ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করবে। এতে করে দুইজনের অবস্থান ইংরেজি বর্ণমালা এক্স-এর আকারের হবে। তবে এটি করার সময় মহিলাটির যোনির পেশি এমনভাবে চেপে রাখা প্রয়োজন যাতে পুরুষাঙ্গ বের হয়ে যায়। এই আসনে পরস্পরের ভুড়ি সঙ্গমের বেলায় বাধা সৃষ্টি করে না।

দাঁড়িয়ে সঙ্গম করার আসন
ছবি
এক্ষেত্রে মহিলাটি কোনো বিছানা বা টেবিলের কিনারায় বসে হাল্কা হেলান দিয়ে পা দুটি ফাক করে দুটি চেয়ারের ওপর রাখতে পারে। পুরুষটি তখন মহিলাটির পায়ের মাঝে দাড়িয়ে বা প্রয়োজন হলে হাটু গেড়ে বসে যৌন সঙ্গম করতে পারে। প্রয়োজন হলে মহিলাটি শুয়ে থাকতেও পারে। এরপর মহিলাটি দাড়িয়ে তার পা দুটি পুরুষটির পায়ের দুদিকে দিয়ে যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম করতে পারে। এসময় প্রয়োজন হলে পুরুষটি তার পিঠের নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। সুতরাং এই আসনটি দুইভাবে চর্চা করা যায়। তবে এই আসনে যৌনসঙ্গম করতে গেলে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় মহিলাটি সামনের দিকে ঝুকে হাত দুটি বিছানার ওপর রাখলে পিছন দিক দিয়ে যৌনসঙ্গম করা যায়। এসময় এক পা ওপরে তুলে রাখলে সঙ্গম আরো সহজতর হয়।

অতিরিক্ত মোটা হলে যৌন সঙ্গমের বেলায় তাদের সঙ্গমকে সফল করতে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। যেমন-প্রয়োজনীয় বিছানা, টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি।

ওরাল সেক্স (বাংলাদেশের জন্য নয়)

ওরাল সেক্স উপভোগ করতে জানলে অত্যন্ত আনন্দদায়ক হতে পারে। সাধারণত মোটা মহিলারা ওরাল সেক্সের বেলায় বেশ পটু হয়ে থাকে। তবে যে জিনিসটি মনে রাখা প্রয়োজন তা হলো- ওরাল সেক্স আসলে এক তরফা কিছু নয়। মুখ মেহনের মাধ্যমে যৌনসঙ্গী দুজনই পরস্পরকে আনন্দ দিতে পারে। যৌন বিশেষজ্ঞরা ৬৯ পদ্ধতির ওরাল সেক্সের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মুখ মেহন বা ওরাল সেক্স যৌনসঙ্গমের অংশও বটে। এর মাধ্যমে যৌনসঙ্গমকে আরো অধিক আনন্দময় করা যেতে পারে।

সঙ্গমবিহীন যৌনতা

যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ না করিয়েও অনেক সময় যৌন আনন্দ লাভ করা যায়। যেমন- যোনিপথে কৌশলে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে মহিলাটিকে যৌন আনন্দ দেয়া যায় যৌন উত্তেজক আলোচনা, শৃঙ্গার, হাসি ঠাট্টা, স্পর্শ করা, উত্তেজক বই পড়া বা উত্তেজক ছবি দেখা ইত্যাদি বিভিন্ন ভাবে যৌন আনন্দ লাভ করা যায়। মনে রাখা প্রয়োজন পরস্পর খুব কাছাকাছি থাকার ফলে সঙ্গমের আনন্দ লাভ না করতে পারলেও অন্তত ভালোবাসার আনন্দ পাওয়া যায়।
| ১১:৫১ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

যৌনস্বাস্থ্য ও যৌন সমস্যা সমাধান (Sexul Heath)


যৌনতা এবং যৌনস্বাস্থ্য
অধ্যাপক ডা. এ এইচ মোহামমদ ফিরোজ

মানুষের যৌনতা কেবল জৈবিক ঐতিহ্য এবং ধারাকেই সমুন্নত করে না বরং এটি একটি আন্তঃসম্পর্ক তৈরি করে এবং জীববিদ্যা, মনোবিদ্যা এবং সামাজিক সংস্কৃতির ওপর এটি প্রভাব সৃষ্টি করে। যৌনতা মানুষের জীবন এবং মনের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করে। মানুষের মনোজগতের ওপরও এর ভূমিকা আছে। তবে আমরা অনেকেই যৌনস্বাস্থ্য সম্বন্ধে অবগত নই। অনেক ক্ষেত্রে কেবল যৌনকর্মকেই অনেকেই যৌনস্বাস্থ্য মনে করে থাকেন। আসলে যৌনস্বাস্থ্য সম্পূর্ণ একটি স্বতন্ত্র বিষয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, যৌনস্বাস্থ্যের বর্ণনা হলো এরকম-যৌনস্বাস্থ্য হলো দৈহিক আবেগ এবং উভয়ের যৌন অংশগ্রহণে এটি পরিচালিত হয় এবং এর ফলে ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগ এবং ভালোবাসা দৃঢ় হয়।

যৌনতার ধারা
ছবি ছোটবেলা থেকেই অনেকের মনেই ী এবং ু ক্রোমোজমসংক্রান্ত অল্প বিস্তর ধারণা থাকে এবং অনেকেই এই সময়ে যৌনতা কী এ ব্যাপারে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। অথচ দেখা যাচ্ছে প্রয়োজনেই সঠিকভাবে তারা যৌনতা সম্পর্কে জানতে পারে না। বিভিন্ন ফ্যাক্টরভেদে পরবর্তী সময়ে যৌনতা সম্পর্কে মানুষ জ্ঞান লাভ করতে শেখে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কিংবা উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে যৌনতাসম্পর্কিত বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণা অনেকেরই আছে। ভারতীয় বহু অঞ্চলে এর প্রসার একটু বেশি।যৌনতার শুরুতে এখানে লিঙ্গ হলো নারী এবং পুরুষ। এখানে লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমেই সরাসরি এবং সপষ্টভাবে যৌনতার স্বরূপ বোঝা যেতে পারে। জীববিদ্যা সম্পর্কিত বিভিন্ন ব্যাখ্যাতেও যৌনতাসম্পর্কিত বিস্তর আলোচনার কথা আমরা বুঝতে পারি। আমাদের এই আলোচনায় যৌনতা এবং যৌনজীবন সম্পর্কিত কয়েকটি বিশেষ বিষয় দৃষ্টিপাত করা হবে।

মানুষের যৌন সাড়া
ছবিমাস্টার এবং জনসন যারা বিজ্ঞানসমমত মনোদৈহিক যৌন বিভিন্ন আচরণের ওপর প্রথম গবেষণা করেন তাদের মতে, মানুষের যৌন সাড়া জাগাতে বা যৌনতার অনুভূতি এবং তৎসম্পর্কিত যৌন উদ্দীপনা এবং চরমপুলকের বিষয়টি মূলত যৌন ইন্দ্রিয়কে উদ্দীপিত করার ফলেই ঘটে থাকে এবং মানুষের মস্তিষক এই নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে। নারী এবং পুরুষের যৌন উদ্দীপনা একই সাথে শুরু করা হয় না। বহু ক্ষেত্রে নারীর উদ্দীপনা পুরুষের চেয়ে খুবই লঘু এবং ধীরগতিতে সৃষ্টি হতে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে তা অতিরিক্ত সময় স্থায়ী হতে পারে অর্থাৎ নারীর যৌন সাড়া সৃষ্টির পর থেকে তা স্থায়িত্বের সাথে পুরুষের উদ্দীপনার স্থায়িত্বের সময়ের চেয়ে বেশি। পুরুষ এবং নারীর যৌন উদ্দীপনার জন্য কয়েকটি ইন্দ্রিয় বা যৌনাঙ্গ ব্যাপকভাবে কাজ করে। পুরুষের প্রধান যৌনাঙ্গ হলো তার লিঙ্গ। এটি হলো পুরুষের বাহ্যিক যৌনাঙ্গ। নারীর মতো পুরুষের অন্তর্গত কোনো যৌনাঙ্গ নেই। পুরুষের অণ্ডথলিতে বীর্য এবং শুক্র উৎপন্ন হয়। দৈহিক মিলনের সময় এই শুক্র বীর্যের মাধ্যমে পুরুষের লিঙ্গ থেকে বের হয়ে আসে এবং এই সময়ে পুরুষ চরমপুলক লাভ করে। সাধারণত পুরুষের লিঙ্গের আকার নিয়ে সব সময়ই বহু পুরুষকে উদ্বিগ্ন থাকতে দেখা যায়। অথচ এটি একটি তুলনামূলক অহেতুক এবং অনর্থক যৌনচিন্তা।
পুরুষের লিঙ্গের বিশেষ করে এশিয়াতে পুরুষের লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৫ থেকে সাড়ে ৫ ইঞ্চি। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম থাকতে পারে। যেমন কারো কারো লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি আবার অনেকের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ৪ থেকে সাড়ে ৪ ইঞ্চি হতে পারে, তবে উভয় অবস্থাতেই যৌনমিলন সম্ভব। পুরুষের উত্তেজনার মূল কেন্দ্রস্থল হলো লিঙ্গ। লিঙ্গের উত্থানই পুরুষের মূল যৌনশক্তি। অপরদিকে নারীর বাহ্যিক যৌনাঙ্গ এবং অন্তর্গত যৌনাঙ্গ রয়েছে। বাহ্যিক যৌনাঙ্গের মধ্যে নারীর ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর সবচেয়ে বেশি যৌন সপর্শকাতর অঙ্গ। পুরুষ নারীর এই যৌনাঙ্গে সপর্শের মাধ্যমে নারীকে চরমপুলকের দিকে নিয়ে যেতে পারে। পুরুষ এবং নারী উভয়েরই যৌন উত্তেজনার সময়ে তাদের রক্তচাপের পরিমাণ বেড়ে যায়। পুরুষের ক্ষেত্রে হার্টবিট, হৃদসপন্দন প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ১৭৫ মিনিটে উঠে যায় এবং নারীর ক্ষেত্রে তা প্রতি মিনিটে ৮০ থেকে ১৫০ পর্যন্ত হতে পারে। পুরুষ এবং নারীর যৌথ উত্তেজনার শেষ পর্যায় হলো চরমপুলক। এই সময়ে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে এবং নারীর চরম তৃপ্তি আসে। এটি শারীরিক যৌন টেনশনকে কমাতে পারে। চরমপুলকের সময় পুরুষ এবং নারীর দৈহিক এবং মানসিক অস্থিরতাও বেড়ে যায়। যা চরমপুলকের পর একেবারে কমে যায়। তবে সাধারণভাবে যে কয়টি বিষয় পুরুষ এবং নারীর যৌন মাত্রার জন্য প্রয়োজন তা হলো, উভয়ের যৌন হরমোনের স্বাভাবিকতা, নারীর যোনির আর্দ্রতা, পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা এবং সঠিক উত্থানে যৌনতার প্রতি উভয়ের আকর্ষণ। পুরুষের যৌন হরমোন হলো টেস্টোস্টেরন এবং নারীর যৌন হরমোন হলো ইস্ট্রোজেন। সাধারণত সকালের দিকে পুরুষের যৌন হরমোন সবচেয়ে বেশি মাত্রায় শরীরে অবস্থান করে এবং এ জন্য সকালের দিকে যৌন আকর্ষণ এবং ক্ষমতা একটু বেশি থাকে।

যৌনতা এবং বয়স
ছবিপুরুষ এবং নারীর মধ্য বয়সে যৌনতার আকর্ষণ এবং ক্ষমতা থাকে সবচেয়ে বেশি। কৈশোরকালীন সময়ে পুরুষ এবং নারী যৌবনপ্রাপ্তির পর থেকে মোটামুটি ৪০-৫০ বছর সময় পর্যন্ত তারা যৌনমিলনে সক্রিয় থাকতে পারে। তবে মধ্য বয়সে যৌনতার প্রতি আকর্ষণ থাকে তুলনামূলকভাবে বেশি। নারীর মেনোপজের সময় তার রজঃনিবৃত্তির সূচনা করে। এটি অনেক নারীকেই যৌনতার প্রতি উদাসীন করে তোলে। আমাদের দেশে প্রায় ক্ষেত্রে ৪৫ বছরের পর নারীদের যৌন সচেতনতা দেখা যায় না। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই সময়ের কাছাকাছি বা ৫০ বছরের মধ্যেই যৌন ক্ষমতা ফুরিয়ে যেতে দেখা যায়। মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে যৌন ইচ্ছার কমতির কারণ হলো যৌন হরমোন কমে যাওয়া। তবে নানাবিধ শারীরিক এবং মানসিক কারণেও পুরুষ এবং নারীর যৌন ইচ্ছা এবং যৌনশক্তি কমে যেতে পারে। আর্থ্রাইটিস, উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারজাতীয় শারীরিক অসুস্থতা যৌনতার ওপর প্রভাব ফেলে। তেমনি নানাবিধ মানসিক অসুস্থতাও যৌন ইচ্ছা এবং ক্ষমতাকে নষ্ট করে দিতে পারে। যাতে পুরুষ এবং নারী উভয়ই আক্রান্ত হতে পারে।

যৌনতার বিভিন্নতা
ছবি আমাদের সমাজে কিংবা দেশেই কেবল নয় বরং পৃথিবীজুড়ে যৌনতার বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। যৌন ব্যবহারের বিভিন্নতাই যৌনতার বিভিন্নতা। বিভিন্ন দেশে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে যৌনতার ব্যবহারের ব্যাপক পরিবর্তন হতে পারে। মানুষের যৌন আচরণের বিভিন্ন পার্থক্য বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক কারণে ঘটতে পারে। তবে পাশ্চাত্যে নানাবিধ সাইকোলজিক্যাল বিহেভিয়ার যা কিনা যৌনতাতে বিভিন্নতা নিয়ে আসতে পারে। যৌন সংস্কৃতি আবার একেকজনের কাছে একেকরকম হতে পারে। অনেকেই এতদকারণে যৌনতার বিভিন্নতা অবলম্বন করে যে কারণে আমরা বিভিন্ন প্রকার যৌন আচরণের সাথে পরিচিত হতে পারি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলো হলো অসুস্থ যৌন মানসিকতা এবং অসুস্থ যৌনকর্ম। বিভিন্ন দেশে কিংবা আমাদের দেশেও সমকামী পুরুষ এবং নারী বিপরীতকামী পুরুষ এবং নারী, উভকামী পুরুষ এবং নারীর দিকে লক্ষ করলে দেখা যাবে, অনেকেই মানসিক কারণে কিংবা অনেকে বৈচিত্র্যপূর্ণ শারীরিক কারণে বিভিন্ন প্রকার যৌন ব্যবহারের সাথে সম্পৃক্ত। সমকামী পুরুষ কিংবা সমকামী নারী বস্তুত যৌনতার বৈচিত্র্যের জন্য এবং অনেক ক্ষেত্রে মানসিকতার জন্য এ জাতীয় যৌনতার প্রতি আকর্ষণ গড়ে তোলে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরুষ কিংবা নারী একাধারে পুরুষ এবং নারী উভয়ের সাথে যৌনমিলনে রত হতে পারে। এ জাতীয় যৌন আচরণকে উভকামিতা বলে। পাশ্চাত্যে সমকামী পুরুষদের ‘গাই’ এবং নারীদের ‘লেসবিয়ান’ নামে ডাকা হয়। গাই এবং লেসবিয়ান আর্য সমমনা।এগুলো ছাড়াও আরো নানা ধরনের অদ্ভুত যৌন আচরণের বিষয়ও রয়েছে। যেমন জুফিলিয়া (তসসহভমলমথ) পশু-পাখির সাথে যৌনমিলন, ফেটিসিজম (ঋপয়মঢ়ভমঢ়শ) নেকরোফিলিয়া (ঘপধড়সহভমলমথ) এবং ভয়েরিজম (ঠসীপড়মঢ়শ) ইত্যাদি। এছাড়াও পরিবার পরিজনের নিকট আত্মীয় সম্পর্কের সাথেও যৌনমিলনকে ইনসেস্ট (ওষধপঢ়য়) বলে। যেমন বাবা মেয়ের সঙ্গে যৌনতা, চাচা ভাইঝির সাথে যৌনতা ইত্যাদি। আরেক ধরনের যৌন ব্যবহার রয়েছে যাকে স্যাডিজম বলে (ঝথনমঢ়শ)। এর ফলে যৌনতার সময়ে অপরকে ব্যথা দেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। আবার ঠিক এর উল্টোটিও আছে। একে বলে ম্যাজোইজম (গথঢ়সপভমঢ়শ)। এর ফলে নিজের ব্যথা পাবার আশঙ্কা থাকে। এই জাতীয় যৌন আচরণকে অসুস্থ যৌন মানসিকতা বলে।স্বাস্থ্যসম্পর্কিত বিষয়ের সাথে অসুস্থতার বিষয়টি জড়িত থাকা স্বাভাবিক। ঠিক তেমনি যৌনতার সাথেও অসুস্থতার একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে নানাবিধ পারিপার্শ্বিক কারণে যৌন অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। যেমন জীববিদ্যা সম্পর্কিত সমস্যা, ব্যবহারিক সমস্যা এবং সামাজিক পরিবেশগত সমস্যার প্রভাব ইত্যাদি। যৌন নানা সমস্যা কিংবা অসুস্থতার জন্য শারীরিক এবং মানসিক কিছু কারণও দায়ী হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পেরিফেরাল স্নায়ুব্যবস্থা, কার্ডিওভাসকুলার ব্যবস্থা এবং যৌনাঙ্গের সমস্যার জন্য যৌনতার বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। পুরুষ এবং নারীর অনেক ক্ষেত্রে যৌনতার প্রতি ভীতি অনেক সময় যৌন অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে।
যৌন সমস্যার চিকিৎসা
অনেক ধরনের যৌন সমস্যার জন্য নানাবিধ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। যার দ্বারা এই সকল সমস্যার সমাধান হতে পারে। নারী এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমধর্মী নানাবিধ যৌন সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে নারীদের চেয়ে যৌন সমস্যায় পুরুষেরা ভোগে বেশি। অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রে হস্তমৈথুন সম্পর্কিত যৌন সমস্যা মধ্যবয়সে তাদের যৌনতার ওপর প্রভাব ফেলে। নারীদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মাত্রার যৌন সমস্যা হতে পারে। যেমন সাধারণ যৌন সমস্যা, চরমপুলকজনিত যৌন সমস্যা, ভ্যাজিনিসমাস, যৌন এনেসথেসিয়া এবং ডিসপ্যারেনিয়া। নারীর যোনির শুষকতা এবং চরমপুলক সম্পর্কে অজ্ঞানতা এবং এতদসংক্রান্ত যৌন সমস্যার কারণেও নারী অনেক সময় যৌনক্ষমতা এবং ইচ্ছা হারিয়ে ফেলতে পারে।এছাড়া ডিসপ্যারোনিয়া এবং ব্যথাপূর্ণ যৌনমিলনও নারীর জন্য যৌন সমস্যা। তবে নারীর বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন প্রকার যৌন সমস্যা হতে পারে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে মেনোপজসংক্রান্ত যৌন সমস্যা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে আবার নারীর পিরিয়ডসংক্রান্ত সাধারণ যৌন সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। তবে সর্বক্ষেত্রের যৌন সমস্যারই নির্দিষ্ট মেডিকেল অথবা থেরাপি রয়েছে। পুরুষের তিন ধরনের যৌন সমস্যা রয়েছে এগুলো পুরুষের প্রধান যৌন সমস্যা। এর মধ্যে উত্থান সমস্যা এবং অকাল বীর্যপাতের সমস্যা প্রধান। এছাড়া পুরুষের যৌন হরমোন এবং অণ্ডকোষের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। যার প্রভাব পড়ে তার যৌনতায়। এই সমস্ত সমস্যারও নানাবিধ ডাক্তারি সমাধান রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সার্জিক্যাল এবং থেরাপিউটিক চিকিৎসারও প্রয়োজন পড়ে।

যৌনস্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্কতা
ছবিযৌনতা মানুষের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনোমতেই তা অস্বীকার করার উপায় নেই। যৌনতার প্রতি আকর্ষণ এবং যৌন ক্ষমতা অনেক সময় নানা পারিপার্শ্বিক কারণে বিঘ্নিত হতে পারে। পুরুষের এবং নারীদের নানাবিধ এবং ব্যতিক্রমী যৌন সমস্যা এবং যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অসুবিধা দেখা দিলেও এগুলোর চিকিৎসা এবং সমাধানের ব্যবস্থা রয়েছে উপযুক্তভাবে। তবে তা গ্রহণের মানসিকতা থাকতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষ এবং নারী যৌন অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে সংকোচবোধ করে। এতে করে তাদের শারীরিক সমস্যা বাড়তে পারে এবং যৌনজীবনে এর প্রচণ্ড প্রভাব পড়তে পারে। বিবিধ থেরাপি এবং মেডিকেশন পুরুষ এবং নারীর যৌনজীবনের নানাবিধ সমস্যাকে মোকাবিলা করতে পারে। আমাদের দেশে ইদানীং যৌনতার ব্যাপারে অনেকেরই সচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে। এটি একটি আশার কথা। যৌনস্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্কতা প্রতিটি সুস্থ পুরুষ এবং নারীর জন্য জরুরি। কেননা যৌনতার প্রয়োজন বেঁচে থাকার জন্যও জরুরি। এটি জীবনের একটি অন্যতম নিয়ামক। পুরুষ এবং নারীদের ক্ষেত্রে যৌন যে কোনো সমস্যাতে অনেকে আবার অযাচিতভাবে এবং ব্যবস্থাপত্রের বাইরে ওষুধ সেবন করে থাকেন।
এটি কিন্তু অত্যন্ত ক্ষতিকর। যৌনস্বাস্থ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা বরং এতে নষ্ট হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে উচিত ডাক্তার অথবা গাইনোকলজিস্টের পরামর্শমতো ওষুধ সেবন করা। এতে করে তা নিরাপদ এবং নিশ্চিত সুস্থতার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে পারে। এজন্য যৌনস্বাস্থ্যের কোনো প্রকার সমস্যা দেখা দিলে বরং ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। পাশ্চাত্যে যৌনজীবনে বৈচিত্র্য আনয়নে এবং সুস্থ যৌনতার জন্য নানাবিধ মেডিকেশন এবং থেরাপির প্রচলন রয়েছে যা আমাদের দেশে অনুপস্থিত। তবুও চেষ্টা করুন সুস্থ শারীরিক দেহ এবং মন নিয়ে যৌনতায় লিপ্ত হতে। পুরুষ এবং নারীর জন্য যৌনস্বাস্থ্যের সুস্থতা অবশ্যই জরুরি এবং প্রয়োজনীয়। ডাক্তারের কাছে বা বিশেষজ্ঞের কাছে আপনার যে কোনো প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা, বিশেষ করে যেগুলো আপনার যৌনজীবনের সাথে সম্পৃক্ত সে ব্যাপারে খোলাখুলি আলোচনার মাধ্যমে পরামর্শ নিন। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের লেখা যৌনবিষয়ক বই পড়েও যৌন সমস্যা সম্পর্কিত জ্ঞান আহরণ করতে পারেন। এতে আপনার যৌনতাসম্পর্কিত অজ্ঞতা কেটে যেতে পারে। যৌনজীবনে সুখী হতে চাইলে যৌনস্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখুন।

বৃদ্ধাবস্থা এবং যৌনতা
ছবিমানুষের জীবনে যৌনতা একটি বড় বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ‘সাইকিয়াট্রিস্ট টাইম’ পত্রিকাতে মানুষের যৌনতা এবং বয়স-এর ওপর একটি মনস্তাত্ত্বিক আলোচনা চালান। এই প্রবন্ধের লেখক ডা. সিনথিয়া এল আরডিটো। এই নারী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ১৯৯২ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির ওপর ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি একাধারে ম্যাকক্লিন হাসপাতালের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট। এই প্রবন্ধে কিছু প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে আমরা যৌনতা এবং বয়সসংক্রান্ত মনোদৈহিক কিছু আলোচনার মুখোমুখি হব।

| ১:৫৩ am | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

যৌন মিলনের সময় বাড়ানোর উপায়(How to increase sex time)


প্রস্তুতি পর্ব –
১. নিজেকে অযথা উত্তেজিত হতে দিবেন না , আপনি জানেন যে ব্যপার টি হতে চলেছে তাই ধৈর্য ধরুন ।
২. ব্যাপারটি নিয়ে তাড়াহুড়া করবেন না, ধীরে শুরু করুন
৩.সঙ্গিনীর গায়ে হাত দেয়ার আগে তার সাথে রোমান্টিকতা করুন , তাকে আপনার দেয়া আদুরে নাম ধরে ডাকুন , তাকে জানান যে আপনি তাকে ভালবাসেন।
এর কারন হল পুরুষ এর যৌন চাহিদা জৈবিক , কিন্তু নারীদের তা নয় । তাদের এই চাহিদা মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত , তাই উত্তেজিত হতে সময় লাগে ।
যদি সঙ্গিনির মন খারাপ , শরীর খারাপ থাকে তাহলে মিলন করবেন না কারন, তখন তার শরীর সাড়া দেবে না ।
ছবি
৪.চুম্বন দিয়ে শুরু করুন এবং তা দীর্ঘায়িত করুন ।
৫. স্পর্শ কাতর অংশে প্রথমেই হাত দিবেন না, তার আশে পাশে স্পর্শ করুন , যখন বুঝবেন আপনার সঙ্গিনীর উত্তেজন উঠছে তখন স্পর্শ কাতর অংশে মৃদু ভাবে আদর করুন ।
৬. আপনার সঙ্গিনী পুরোপুরি উত্তেজিত হবার ১-২ মিনিট পর মিলনের প্রস্তুতি নিন ।

মিলন পর্ব-
(শোবার ঘরটি সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন , এটি শুধু ঘুম এবং যৌন মিলনের জন্য ব্যবহার করুন । মিলনের সময় ঘরে হালকা আলো জ্বালিয়ে রাখুন , রোমান্টিক গান চালু রাখুন । ) 

১. সঙ্গিনীর দেহে প্রবেশ এর পূর্বে আপনার যৌনাঙ্গ দিয়ে দিয়ে তার যৌনাঙ্গে হালকা ভাবে আদর করুন , সঙ্গীকে জানান যে আপনি এখন প্রবেশ করতে যাচ্ছেন , এর ফলে সে আপনাকে ভিতরে নেয়ার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হবে ।
২. কক্ষনোই জোর করে ঢুকার চেষ্টা করবেন না , যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গ আপনাকে নেয়ার জন্য প্রস্তুত নয় তবে তাকে আশ্বাস দিন যে অসুবিধা নেই , সঙ্গিনীকে রাগ দেখাবেন না । যৌনাঙ্গ সবসময় এক ধরনের Response নাও দিতে পারে। যদি রাগ দেখান তাহলে পরবর্তীতে সে উত্তেজিত হবার বদলে ভয় পাবে এবং তার মস্তিস্ক Response করতে প্রচুর সময় নিবে ।
৩. প্রবেশ এর পর আস্তে আস্তে আদর করুন , সঙ্গিনীকে মন থেকে ভালোবাসার কথা বলুন , তার সারা শরীর এ হাত বুলান । মনে রাখবেন যে , যদি আপনার সঙ্গী আপনার কাছ থেকে ভালবাসা পূর্ণ শারীরিক আদর লাভ করে তাহলে এটি তার কাছে আনন্দময় মুহূর্ত হিসেবে গণ্য হবে , এবং তা সুখকর স্মৃতি হিসেবে তার মস্তিস্কে জমা হবে । ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে যৌন মিলনের সময় তার Response অনেক ভালো হবে ।
৪. সঙ্গিনীকে ব্যথা দিবেন না । মাঝে মাঝে প্রশ্ন করুন যে তার কেমন লাগছে । যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যোনি রস কমে আসছে বা শুকিয়ে আসছে তাহলে সঙ্গম শেষ করে দিন , জোর করে দীর্ঘায়িত করবেন না ।
ছবি
৫. মিলনের এক পর্যায়ে যখন আপনি অনুভব করছেন যে আপনার একটি শিরশিরে অনুভূতি হচ্ছে এবং এই অনুভূতি আর একটু বাড়লেই আপনার বীর্যপাত হয়ে যাবে , তখন কোমর সঞ্চালন বন্ধ করুন । চুপচাপ সঙ্গিনীর উপর শুয়ে থাকুন এবং তাকে গলায় বা কানে চুমু দিন। চোখ বা চুলের প্রশংসা করুন । আলতো ভাবে তাকে আদর করুন । এতে আপনার মনোযোগ অন্য দিকে সরবে এবং শিরশিরে অনুভূতি কমে গিয়ে যৌনাঙ্গ আবার স্বাভাবিক হবে । এরপর আবার মিলন শুরু করুন । প্রক্রিয়া টি ২-৩ বার এর বেশী প্রয়োগ করবেন না ।
৬. আসন পরিবর্তন করুন । এক এক দম্পতি এক এক আসনে তৃপ্তি বোধ করেন , তাই ধীরে ধীরে জেনে নিন আপনাদের কোন আসন পছন্দ । সেগুলো প্রয়োগ করুন ।
৭. মিলনের সময় যদি অল্প সময়ে নারী সঙ্গির যোনি রস শুকিয়ে আসে , বা পুরুষ সঙ্গির লিঙ্গ তেমন শক্ত না হয় , বা দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না । নিয়মিত যৌন জীবন এর মাঝে মাসে ২-৪ বার এরকম হতেই পারে । সঙ্গীকে জানান যে কোন অসুবিধা নেই । পরের বার ভালো হবে । প্রত্যেক বার যে পূর্ণ যৌন মিলন করতেই হবে এমন কথা নেই ।
৮. এক এক দম্পতি উত্তেজিত হবার এক এক নিয়ম ( যেমন , চুম্বন , ব্লো-জব ) পছন্দ করেন , জেনে নিন আপনাদের কোনটি পছন্দ । সেটি করুন । একক সিদ্ধান্ত নেবেন না । আপনার সঙ্গী যদি কোনটি পছন্দ না করেন তবে সেটি করবেন না ।
৯.আপনার ইচ্ছা করছে কিন্তু আপনার সঙ্গীর করছেনা । তাহলে নিজেকে সংযত করুন ।
১০.ঘরে নগ্ন চলাফেরা করবেন না তাহলে শরীরের প্রতি আকর্ষণ কমে যেতে পারে ।
১১. নারী সঙ্গীরা রাতে শোবার আগে পোশাক পরিবর্তন করে যৌন উত্তেজক পোশাক পড়ুন ।
১২. নারী সঙ্গীরা ভাববেন না যে পুরুষ সঙ্গিরাই সবসময় আমন্ত্রণ জানাবে । আপনিও জানান । নিজের যৌন চাহিদা প্রকাশ করুন ।
| ১২:৫৮ am | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

হস্তমৈথুন কি স্বপ্নদোষ ঘটায় বা বীর্য পাতলা করে দেয়(Hosto muithun)

পুরূষের হস্তমৈথুনের সাধারন পদ্ধতি হল – লিঙ্গ হাতের মুঠোয় নিয়ে সামনে ও পিছনে সজোরে সন্চালন করা । ফলে হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে লিঙ্গের মুন্ডে চাপ কমে ও বাড়ে ।

সেই সঙ্গে লিঙ্গকে মাঝখানে রেখে উরূদুটি সামনে ও পিছনে রগরানো । কখনো বালিশে, গোটানো বেডশিটে, তোশকে বা এ জাতীয় কোন বস্তুতে, তীব্র জলের ধারা দিয়েও হস্তমৈথুন করে থাকে অনেকেই । বর্তমানে অনেকেই কৃত্রিম পুতুলও ব্যাহার করে থাকে ।

তবে আধুনিক কালে বৈদ্যুতিক শক দিয়েও হস্তমৈথুন করে অনেকেই । এটা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর । লিঙ্গের নার্ভের সঙ্গে একটানা ঘর্ষণের ফলে তা দেহের অন্যান্য অংশের মতই অনূভূতি শূন্য হয়ে যায় ।৯. হস্তমৈথুনের পদ্ধতি কি কি ?

বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে নিয়মিত মিলনের ফলে বারবার বীর্যপাত ঘটে । একারনে অতিরিক্ত বীর্য বীর্য থলিতে জমতে পারে না ।
স্বপ্নদোষ বন্ধ হয়ে যাওয়ার এটাই কারণ ।
| ১১:২৩ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

সহবাসের সঠিক সময়(Best time to enjoying Sex)



  • মেয়েদের একটু ঘুমোবার পর রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর শ্রেষ্ঠ মৈথুন সময়।
  • দিনের বেলা সহবাস নিষিদ্ধ।
  • ভোরবেলা সহবাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর হ’তে পারে।
  • গুরু ভোজনের পর সঙ্গে সঙ্গে সহবাস নিষিদ্ধ।
  • ক্রুদ্ধ বা চিন্তিত মেজাজে স্ত্রী সহবাস উচিত নয়। প্রফুল্ল মনে সহবাস উচিত।

কোন ঋতু মৈথুনের পক্ষে কতটা উপযোগী তার বিচার করা হচ্ছে।
  • ক। বসন্তকাল-৯০%।
  • খ। শরৎকাল-৭০%।
  • গ। বর্ষাকাল-৫০%।
  • ঘ। হেমন্তকাল-৪০%।
  • ঙ। গ্রীষ্মকাল-৩০%।
  • চ। শীতকাল-২০%।
| ১১:১৪ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

সহবাসের পরে করনীয়


সহবাসের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়। অন্যথায় সহবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়। পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়।
অত্যধিক মৈথুনের জন্য হজমশক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়। এই সমস্ত রোগের হাত থেকে নিশ্চিত ভাবে নিষকৃতির জন্য মৈথুনের পর দুগ্ধ পান অত্যাবশ্যাক। অবস্থায় সম্ভব হলে নিম্নের টোটকাগুলি ব্যবহার করলে ভয়ের কারণ থাকবে না।
(১) বাদাম দুই তোলা ভালভাবে বেটে নিয়ে তা মিশ্রি সংযোগে মৈথুনের পর গরম করে খেলে বিশেষ উপকার হয়।
(২) দুতোলা ঘি, দু তোলা মিশ্রি কিংবা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করলে সহজে ক্ষয় পূরণ হয়।
(৩) মুগের ডাল ভালভাবে বেটে নিয়ে ভেজে নিন, পরে মিশ্রি কিংবা চিনি মিশিয়ে নাড়ার মত করে চার তোলার মত মৈথুনের পর খেয়ে নিলে উপকার হয়।

সহবাসের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষাঙ্গ ধৌত করলে নপুংষকতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য রতিক্রিয়ার কিছু সময় পরে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা বিধেয়। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত।
সহবাসের পর দেহের বিষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বিষয়ে শাস্ত্রে কতগুলি নিয়ম বিধিবন্ধ আছে। আমরা তা একে একে আলোচনা করছি।
১। সহবাসের পর দু’জনের কিছুক্ষণ পরস্পর সংলগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মানসিক তৃপ্তি হয়। ধীরে ধীরে দেহ শীতল হয়। এতে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হ’য়ে থাকে।
২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌনাঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।
৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের ্লান করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।
৪। শর্করা মিশ্রিত এক গ্লাস জল কিঞ্চিৎ লেবুর রস বা দধি কিংবা শুধু ঠাণ্ডা জল কিছু খেতে হবে। এতে শরীরের মঙ্গল করে।
৫। প্রয়োজন হরে কোন পেটেন্ট ঔষধ সেব করা যাইতে পারে।
৬। সহবাসের পর ঘুম একান্ত আবশ্যক-তদাই শেষ রাতে সহবাস বাঞ্ছনীয় নয়।
৭। পরদিন প্রভাতে স্নান করা একান্ত আবশ্যক। তা না হলে মন শুচি হয় না- কর্মে প্রফুল্লতা আসে না। অন্যথায় পরদিন মন খারাপ থাকে, কর্মে একঘেয়েমি আসতে পারে।
৮। সহবাস প্রারম্ভে বা শেষে নেশা সেবন ভাল নয়। এতে দৈহিক ক্ষতি হয়-প্রেম দূরে যায়-মানসিক অসাড়তা আসতে পারে।
৯। রাত্রির প্রথম ও শেষ প্রহর বাদে মধ্যম অংশই সহবাসের পক্ষে উৎকৃষ্ঠ সময়, এ কথা সর্বদা মনে রাখতে হবে।
১০। সহবাসের পর অধিক রাত্রি জাগরণ, অধ্যয়ন, শোক প্রকাশ, কলহ কোন দুরূহ বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা ও মানসিক কোন উত্তেজনা ভাল নয়।

| ১১:০৬ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

ইসলাম ধর্মে ওরাল সেক্স বা মুখমেহন!(Oral sex in Islam)


মুখমেহন বা ওরাল সেক্স ইসলাম ধর্মে একটা বিতর্কিত বিষয়, কোন কোন বিদ্ব্যান এটাকে সমর্থন করেছেন আবার কেউ করেন নি, মোটামুটি ভাবে বলা যায় যে বিষয়কে কোরানে 'হারাম' অথবা হাদিসে নিষিদ্ধ বলে চিহ্নিত করে হয়নি তা বৈধ। আর এই নীতিকে ভিত্তি করলে মুখ মেহন বা ওরাল সেক্স একটি গ্রহনযোগ্য পদ্ধতি, এবং তা যদি বৈধ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রয়োগ হয় তবে এটা অন্যান্য যৌনপ্রনালীর মতই বৈধ। ইসলাম ধর্মে শুধু দূটো ব্যাতিক্রমের কথা পরিস্কার উল্ল্যেখ আছে, ১) পায়ুগমন বা মৈথুন ২) স্ত্রীর মাসিক বা রজঃস্রাব চলাকালীন সময়ে যৌন ক্রীড়ায় মত্ত হওয়া।

মুখমেহন ধারনাটি হুদাইবিয়া চুক্তির মতন একটা ঐতিহাসিক বিষয়ের সমসাময়িক, সহি বুখারী শরীফে এক উল্ল্যেখ আছে, এতে বোঝা যায় রাসুল সাঃ'র সাহাবীরা এই সমন্ধে ওয়াকিবহাল ছিলেন।

হুদাইয়বিয়া চুক্তি চলাকালিন সময়ে আবু বকর 'উরোয়া বিন মাসুর থাকাফি' কে বলেছিলেন "লা'ত র ক্লিটোরিস চোষ" ( লা'ত সেই সমকালীন একজন দেবীর নাম) পাকিস্তানী একদলের মতে মুখমেহন অবৈধ নয় কিন্তু পছন্দনীয় ও নয়। আল তাবারি হ'তে উদ্ধৃতিঃ

وكان عبد مناة بن كنانة تزوج هند بنت بكر بن وائل ...... أبو بكر امصص بظر اللات واللات طاغية ...
تاريخ الطبري - الطبري ج 2-
"Suck the clitoris/vagina of Laat"

ডঃ কারাদাই, এক সুন্নী মতবাদে বিশ্বাসী বিদ্বান এক ফতোয়াতে 'কিছু সর্তাধীন' ভাবে মুখমেহনকে বৈধতা দেন। সিয়া ইমাম আল-খোয়েই বলেন, " স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মুখমেহন অবৈধ নয় (হারাম নয়)। সালাফী মতাবলম্বী বিদ্বানদের মতে "মুখমেহন সম্পূর্ন বৈধ কারন, আল্লাহর রাসুল স্ত্রীর সাথে পূর্বরাগ (ফোরপ্লে) উতসাহিত করেছেন, বলেছেন এতে করে দুজনের মধ্যে প্রেম ভালবাসা সমঝোতা বৃদ্ধি পায়"। ডঃ হেবা কোতব, মিশরীয় টেলিভিশনে যৌন বিষয়ক পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলেন, "মুখমেহন বৈধ কারন, এটাকে অবৈধ ঘোষনা করে কোন দলিল নেই"।
স্ত্রীর স্তন ও যোনী লেহন/চোষনঃ

ইসলামে এর বিরোধী কিছু বলা হয়নি, সুতরাং এটা স্বামী ও স্ত্রীর ব্যাক্তিগত পছন্দ অপছন্দের উপর নির্ভর করছে যে, ওরা এটা করবে কি না। স্বামী তার স্ত্রীর স্তন দলাই মলাই করতে পারেন, তার স্তনবৃন্ত (নিপল) ও স্তন চুষতে পারেন।

মালিকি মতাবলম্বীরা যোনী লেহন অনুমোদন করেন। কারন এটা হারাম নয় আর 'মাকরুহ' ও নয়। ইমাম মালিকি বলেছেন 'জিভ দিয়ে যোনী লেহন হারাম নয়' বলা হয় যখন কেঊ প্রশ্ন করেছিলেন, 'স্ত্রীর যোনীদেশে চুমু খাওয়া ভাবে কি'? তখন তিনি বলেছিলেন, 'কোন সমস্য নেই'।

পুরুষাংগ ছোয়া বিষয়েঃ

'যদি ছোয়া যায় তাহলে পরিস্কার থাকলে চুমুও খাওয়া যায়'। এই বিষয়ে ইমাম আল মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদ বলেন, 'ইসলাম ধর্মে কেউ কেউ এই বিষয়ে তর্ক করেছেন যে, যৌনাংকে নাপাক বলা যাবে না কারন এটা শরীরেই অন্যান্য অংগের মত একটা অংগ, এটা ছুইলে অযু ভংগ হয় না'।

যখন এক সাহাবী তাকে প্রশ্ন করেছিলেন 'শিষ্ম স্পর্শ করলে অযু করতে হবে কি? হযরত বলেন 'না এটা শরীরেরই একটা অংশ"। হানাফী মতানুসারী্রা দাবী করেন 'লিংগ স্পর্শ করা লজ্জাজনক কিছু নয়" সহি হাদিস। আল মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদ যুক্তি দেখান "এটা নাপাক নয়" আর এই বিষয়ে জোর দেন যে, যদি নাপাক হয় তবে তাকে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে দিতে হবে'। এটা দাবী করে যে, লিংগ শরীরের অন্যান্য অংগের মত একটা অংগ। মোহাম্মাদ বিন আল হাসান আল সাইবানী'র মতে বিদ্বানরা হযরত আবু হানিফার মতবাদকে উল্ল্যেখ করেছেন, হামাদ বিন ইব্রাহিম ও হযরত আলি বিন আবু তালেব'র উদ্ধৃতি দিয়েছেন, "এটাতে কোন ক্ষতি নাই, আমি স্পর্শ করি, না হয় এটা আমার নাকে উপর' (এটা একটা রূপক কথা, তিনি যে মিথ্যা বলেন নি এটাকে জোর দেবার জন্যা এই কথার অবতারনা) আবু হানিফা বলেন, হামদ বিন ইব্রাহিমের উদ্ধৃতিতে ইবন মাসুদ জিজ্ঞেস করেছিলেন। 'লিংগ স্পর্শ করার ফলে উযু করতে হবে কি'? তিনি জবাব দিলেন 'যদি নাজায়েয হয় তবে কেটে ফেল' তার মানে কোন ক্ষতি নেই। আবু হানিফা আরো বলেন এবার হামাদ বিন ইব্রাহিম ও সাদ আবু ওয়াক্কাস'র উদ্ধৃতি 'দেখলাম এক ব্যাক্তি তার লিংগ ধৌত করছে, বল্লাম 'তুমি কি করছ? এটার দরকার নেই'। তবে ইমাম হানিফা প্রশ্রাব করার পর লিংগ ধৌত করার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন। তালক বিন আলি (বিন আল মুন্ধির বিন কায়েস) একবার হযরতের উদ্ধৃতিতে বন, একবার আমরা হযরতের সামনে ছিলাম এক বেদুইন এসে তাকে প্রশ্ন করলেন ' ও হযরত যদি কোন মানুষ তার নিজ লিংগ স্পর্শ করে তাতে কি উযু করতে হবে?' হযরত উত্তর দিলেন 'এটাতো শরীরেরই একটা অংশ'।
মুখ মেহন ও খতনাঃ

যদি লিংগ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না থাকে তাহলে শাররীক অসুবিধাও হতে পারে, ডাক্তারি কোন সমস্য দেখা দিতে পারে, খত্নাকৃত লিংগকে স্বাস্থ্যসম্মত গন্য করা হয়। মুখমেহনের বেলায় স্ত্রীরাও এটাকে পছন্দ করে। যৌনকেশ মুন্ডন বা সেভ করা ইসলাম ধর্মে তাগিদ করা হয়েছে।

মুখমেহন ও পূর্বরাগ (ফোরপ্লে)ঃ

'মুখমেহন কোন যৌন বিকৃতির কারন যেন না হয়' বলা হয়েছে। এবং স্ত্রীদের অনুমোদন সাপেক্ষেই আর দুজনের চরম পুলকের কথা মনে রেখে করতে উপদেশ দেয়া হয়েছে। ডঃ হেবা কোতব জোর দিয়ে বলেন, "স্ত্রীদেরও যৌনক্রীড়া উপভোগ করা উচিত, মুখমেহন একটি ফোরপ্লে, আর ইসলাম ফোরপ্লেকে জোর দিয়েছে'। হাম্বালী মতাবলম্বীদের কিতাবে আছে, "স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের স্তন মাঝে, অথবা তাদের থাই (পায়ের) মধ্যে নিজ লিংগ ঘষে বীর্যস্খলন করতে পারবে, এটা বৈধ'।

পূর্বরাগ বা ফোরপ্লে পদ্ধতিঃ

উবায়দুল্লাহ বিন যুরায়রা'র একজন বৃদ্ধ প্রতিবেশী ছিল যার একজন যুবতী দাসী ছিল (সে সময় আরব দেশে দাস প্রথা ছালু ছিল, আর দাসীর সাথে যৌন সম্পর্ক একটা স্বাভাবিক কাজ ছিল) বৃদ্ধা তার দাসীকে যৌন সুখ দিতে পারত না, তখন দাসী তার মালিককে তার যোনীতে আংগুল প্রবেশ করাতে বলত আর এইভাবেই সে চরম পুলক পেত, বৃদ্ধ কাজটি করত কিন্তু তার মন সায় দিত না, একদিন সে উবারদুল্লাহ কে অনুরোধ করল যে, "তুমি দয়া করে ইমাম সাহেবকে জিজ্ঞেস করবে আমার হয়ে, যে কাজটি ঠিক হচ্ছে কিনা"! উবায়দুল্লাহ ইমাম আলি আর রিজা (আঃ) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন 'যদি সে নিজ শরীরের যে কোন অংশ ব্যাবহার করে তাহলে কোন ক্ষতি নাই, তবে নিজ শরীরের অংশ ছাড়া অন্য কিছু ব্যাবহার করা যাবে না'।

নবী সাঃ বলেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ তাদের স্ত্রীদের সাথে পশুর মত যৌনাচার করবে না, বরং দুজনের মধ্যে দূত রাখবে'। যখন দূত সমন্ধে ব্যাখ্যা চাওয়া হল তিনি বললেন 'চুমু খাওয়া আর কথাবার্তা'।
যৌন তৃপ্তি সমন্ধেঃ

পবিত্র কোরান শরীফে সুরা মুমিনুনের আলোকে পাচ থেকে সাতজন বিদ্ব্যান বলেছেন, "স্বামী তার যৌন তৃপ্তির জন্য পায়ূ মৈথুন ছাড়া যে কোন পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারে'। আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের, "প্রিন্সিপ্যাল অফ ইসলামিক জুরিস প্রুডেন্স' র অধ্যাপক ডঃ আলি জুম'য়া বলেন "যৌন তৃপ্তি লক্ষ্যে পতি-পত্নীদের পরপস্পের যৌনাংগ লেহন, চোষন ও চুম্বন বৈধ, এতে করে তাদের অবৈধকাজ (হারাম) কাজ থেকে বিরত রাখবে, যদি স্ত্রীর যোনীলেহনে স্ত্রীর চরম পুলক অর্জন আর স্বামীর লিংগ লেহনে স্বামীর যৌন উত্তেজনা প্রাপ্তি ও লিংগোত্থান হয়, তা বৈধ, স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের চরম পুলক লাভের জন্য সবরকম যৌন কার্য করা যাবে'।

যৌন রস (প্রি-কাম) সমন্ধে ধারনাঃ

স্ত্রীর যোনী থেকে বের হওয়া রস 'পাক', এই ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন হাদিস নেই। তেমনি অনেক বিদ্বান মানেন বীর্য ও 'পাক'। সাফী মতাবলম্বীদের মতে পুরুষের বীর্যও পবিত্র তবে প্রি ইজাকুলেশন অর্থাত বীর্য বের হবার আগে যে পাতলা পিচ্ছিল রস বের হ্য় তা নাজায়েয; তার মানে সংগী ও সংগিনী হয়তো মুখমেহনের সময় নাজায়েয জিনিষ লেহন করেছে, ফলে মুখমেহন নাজায়েয কিন্তু অবশ্যই 'হারাম' নয়। কারন এটা হারাম বলে কোথাও উল্লেখিত হয়নি।

মুসলিম স্কলারগন মত দিয়েছেন লিংগ চোষনের ফলে যদি বীর্যস্খলন হয় তা মাকরুহ বা নাজায়েয। কিন্তু এটা নিষিদ্ধ করে কোন আয়াত নেই। শরীরের এই অংশ পায়ুর মত নোংরা নয়। যদি স্ত্রী দুজনের চরম পুলক প্রাপ্তির লক্ষ্যে মুখমেহন করে তাহলে কোন বাধা নেই। এই কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এমন কোন প্রমান নেই।

নোংরামী ছাড়া যদি মুখমেহন ও যৌনাচার করা যায়, তাহলে কোন বাধা নেই। স্ত্রী ততক্ষন পর্যন্ত স্বামীর লিংগ চোষন বা চুমু খেতে পারবে যতক্ষন না 'প্রি-কাম' বা যৌনরস বের হ্য়। সম্ভব হলে লিংগ মুন্ড এড়িয়ে যাওয়া। আর সতর্ক স্বামী কন্ডম ব্যাবহার করতে পারেন। আর স্ত্রীর বেলায় স্বামী স্ত্রীর যোনীদেশ, ক্লিটোরিস চুষতে পারেন (হাম্বালী মতবাদীদের অনেক বইয়ে উল্লেখিত) পরস্পরের চরম পুলক প্রাপ্তি লক্ষ্যে। তবে যৌনাচার শেষে অবশ্যই ভাল করে কুলি করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। কন্ডম ব্যাবহার অথবা বীর্যস্খলনের পূর্বক্ষনে লিংগের গোড়ালী চেপে ধরে মুখমেহন কালীন বীর্যস্খলন রোধ করা যায়।

মুখমেহনের পর গোসল জরুরীঃ

মুখমেহন পূর্বরাগ অথবা যৌনাচার হিসাবে অনুমতি আছে, যদি স্বামী তার স্ত্রীর সাথে মুখ মেহনে অংশ নেয় এবং স্বামীর বীর্যপাত হয় তাহলে ইসলাম ধর্মমতে তার গোসাল করা ফরজ। আর যদি বীর্যপাত না হয় তাহলে উযু করে নিলেই হবে। শ্ত্রীর বেলায় গোসল করার দরকার নেই গায়ে মুখে অথবা জামায় লেগে থাকা বীর্য ধুয়ে ফেলতে হবে। বিদ্ব্যানরা বলেন স্ত্রীর মুখে বীর্যপাত লক্ষ্যে মুখমেহন করা মাকরুহ।


রেফারেন্স ও নোটসঃ

ইমাম বোখারী শরীফ
লা'ত ইসলাম পূর্ব তাকিফ গোত্রের পূজিত একজন দেবী
সহি বুখারী, কিবার আল সারুত, আল সারুত ফিল যিহাদ, হাদিস ২৭৭০
উইকিপিডিয়া
| ১১:৪৩ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

বেস্ট সেক্স টাইম 7-13 মিনিটের মধ্যে (Duration of Sex period)


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা এক সমীক্ষাতে জানিয়েছেন বেস্ট সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্স 7-13 মিনিটের মধ্যে হয়৷ সমীক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে সাধারণত 3 মিনিটের সেক্স পর্যাপ্ত সময় হয়৷

এই সমীক্ষা করা হয়েছিল পেনিট্রেটিব সেক্সের জন্য আদর্শ সময় কি এটা বার করার জন্য৷ আমেরিকা ও কানাডার লোকেদের উপর সমীক্ষাতে রায় পাওয়া গেছে 7-13 মিনিটের মত সময় সবচেয়ে বাঞ্ছনীয় হয়৷ সমীক্ষাতে আরও জানা গেছে ইন্টারকোর্স চলার সময় 3-7 মিনিট আদর্শ৷

সেক্সের জন্য এর থেকে কম সময়কে 'সবচেয়ে কম সময়' ও 13 মিনিটের অধিক সময়কে 'বেশি লম্বা' বলা হয়েছে৷ এই সমীক্ষা 'শান্ত স্বভাবের' জুড়ির পক্ষে আদর্শ যারা বুঝতে পারে স্বাস্থ্যকর সেক্স অনেকক্ষণ সময় ধরেই চলা উচিত৷

সমীক্ষক দলের আরও মন্তব্য পুরুষদের ক্ষেত্রে সেক্সের সময় পুরুষদের লিঙ্গ কঠোর, বড় হতে হবে এবং পুরো রাত যেন সেটা সেক্সুয়াল কার্যকারিতা জন্য তৈরী থাকতে পারে৷ এই সমীক্ষার ফলে যাদের সেক্স নিয়ে মনে ভয় ও অসুরক্ষা ভাবনা আছে তারা সাহায্য পাবে বলে জানানো হয়েছে৷

এই সমীক্ষাতে আরও জানা গেছে বেশিরভাগ অস্ট্রেলিয়ার পুরুষরা সেক্সের জন্য বেশিক্ষণ সময় চায় সেখানে অস্ট্রেলিয়ান মহিলাদের ক্ষেত্রে কিছু এসে যায় না সেক্সের সময় তাডাতাড়ি শেষ হল না দেরী হল৷ সাধারণত বেশিরভাগ মহিলারা 7-13 মিনিট পর্যন্ত চলা সময়টাতেই খুশী থাকে, সেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে এরকম কিছু থাকে না৷
| ১০:৫৮ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

লেসবিয়ানিজম (Lesbianism or Tribadism)



দুটি মেয়ের মধ্যে কৃত যৌনাচার কে লেসবিয়ানিজম বলা হয়, এটা একধরনের সমকামীতা। একে একসময় সব দেশেই বিকৃত যৌনাচার এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গন্য করা হতো, বর্তমানে অনেক দেশেই লেসবিয়ানিজমের অনুমতি দেয়া হয়। এটা আসলে স্বাভাবিক কোনো যৌনাচার নয়, এক ধরনের মানসিক বৈকল্যের কারনে এমনটি ঘটতে পারে।

এই ধরনের মহিলারা পুরুষদের প্রতি আগ্রহহীন এবং উদাসীন থাকে এবং এদের নারী সংগীটির প্রতিও এদের অদম্য হিংসা থেকে থাকে। সাধারনত পরষ্পরের যৌনাঙ্গ ঘর্ষন, ওষ্ঠ চুম্বন, স্তন মর্দন, ভগাঙ্কুর মর্দন এসব ক্রিয়ার মাধ্যমে লেসবিয়ানিজম করা হয়ে থাকে। নিঃসঙ্গতা, একাকীত্ব, পারিবারিক কলহ ইত্যাদিকে অনেক সময় এই বৈকল্যের কারন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ছাত্রী নিবাসের ছাত্রী বা ডরমেটরিতে থাকা মেয়েদের ও অনেকসময় এমন কাজে উৎসাহিত হতে দেখা যায়। এভাবে পুরুষের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা এবং কেবল নারীর প্রতি যৌনউত্তেজনা অনুভব করা একধরনের মানসিক ব্যধি তাই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে এর থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করা উচিত।
| ৮:১৬ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

সিফিলিস (Syphilis)



সিফিলিস রোগের জীবানুর নাম ট্রেপনোমা প্যালিডাম। সিফিলিস আক্রান্ত কারো সাথে যৌন মিলনে এই রোগ হয়েথাকে, তবে রোগীর রক্ত গ্রহনের মাধ্যমেও এই রোগ হয়। আবার গর্ভাবস্থায় মায়ের সিফিলিস থেকে থাকলে সন্তানসেখান থেকে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ভূমিস্ট হয়ে থাকে। সাধারণত আক্রান্ত কারো সাথে যৌন মিলনের ২-৪ সপ্তাহপরে এই রোগের লক্ষন গূলো দেখা দেয়, তবে


কারো কারো ক্ষেত্রে ৩ মাস পর্যন্ত দেরী হতে পারে।

এটা শুরুতে পুরুষের যৌনাঙ্গের মাথায় বা শীস্নে হাল্কা গোলাপী বর্ণের একটা দাগ হিসেবে দেখা দেয়। ধীরে ধীরে এটা বড় হয়ে ফোস্কাবা ঘায়ের মতো হতে থাকে। রোগ শুরুর ২ মাসের মধ্যেও যদি চিকিৎসা না নেয়া হয় তবে যৌনাঙ্গের ঘা দ্রুত ছড়াতে থাকে এবংসেই সাথে জর ও মাথা ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দেয় এবং শরীরের বিশেষ করে কুচকীর গ্রন্থিগুলো বড় হয়ে যেতে থাকে। এ রোগপায়ু-পথ, ঠোট, মুখ, গলনালী, খাদ্যনালী এমনকি শ্বাসনালীতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে, অবশ্য এটা নির্ভর করে কোন পথে যৌনাচারকরা হয়েছিলো তার উপড়।

এ অবস্থায় ও যদি কেউ চিকিৎসা নিতে অবহেলা করে তবে রোগটি খুবই জটিল আকার ধারন করে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এটিসুপ্ত অবস্থায় চলে যায় এবং বছর দুয়েক সুপ্ত থাকার পরে ভয়াবহ রুপে দেখা দেয়। এভাবে চিকিৎসাহীন থেকে গেলে পুরুষাঙ্গেরমাথায় বিশাল আকৃতির বিশ্রী ক্ষত বা ঘা হয়, অবস্থা আরো জটিল হতে থাকে এবং এক সময় এই রোগ হৃদপিন্ড এবং মস্তিস্কেছড়িয়ে পরে বা নিউরোসিফিলিস (Neurosyphilis) হয়, যা রোগীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।

বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে (যেমন VDRL, TPHA) এই রোগটি সনাক্ত করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়েই সিফিলিসের চিকিৎসা করানোউচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পেনিসিলিন শ্রেনীর ঔষধ সেবন অথবা ইঞ্জেকশন গ্রহনে এই রোগ পুরোপুরি ভালো হয়েযায়। স্বামী-স্ত্রী বা যৌনসঙ্গী উভয়েরই চিকিৎসা নেয়া উচিত অন্যথায় এই ইনফেকশন সঙ্গীর কাছ থেকে আবার হতে পারে।
| ৮:৪৪ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

স্বপ্নদোষ(wet dream)



প্রতিটি পুরুষের জীবনে স্বপ্নদোষের ব্যাপারটি ঘটে থাকে । অন্তত একবার হলেও এটি ঘটবেই । প্রথম প্রথম অনেক ছেলে বুঝতে পারেনা এটা কি হলো রাত্রিতে ঘুমানোর পরে গভির নিদ্রায় গিয়ে পুরুষ স্বপ্নে যৌনতার নানা বিষয় দেখতে পায়। হয়ত সে দেখে সে করো সাথে যৌনমিলন করছে । অথবা যৌনতা সংশ্লিষ্ট নানা ব্যবহারিক আচার-আচরণ দেখতে পায় । কিনসের মতে এই সময়ে বহু ছেলেই তার চেনা এবং পরিচিত নারীর সাথে যৌনমিলনের বা যৌনচরণের স্বপ্ন দেখে । এতে করে চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে তার চরমপুলক হয় এবং বীর্যপাত ঘটে । একে স্বপ্নদোষ বলা হয় । অনেক ছেলের কাছেই এটি ভীতিকর উপসর্গ হিসাবে চিহ্নিত হয় । কেননা তারা মনে করে এর ফলে পাপ হচ্ছে এবং পাশাপাশি লিঙ্গের দৃঢ়তা কমে যাচ্ছে। বাস্তব বিষয়টি হলো স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি শারীরিক প্রক্রিয়া মাত্র । এই বয়সে যে কোন ছেলের ক্ষেত্রেই এটি ঘটতে পারে । এতে ভীতির কোনো কারন নেই ।
আরও জিজ্ঞাসা এবং তথ্য
| ১১:৩০ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন

কপার টি- কনডম বা বড়ি খাওয়ার বিকল্প(kopar-ti )

অনেক দম্পত্তির কাছেই রোজ রোজ বড়ি খাওয়া বা কনডম ব্যবহার করা একটা বিরক্তিকর কাজ বলে মনে হয়;আই,ইউ,সি,ডি (কপার টি) তাদের জন্যই ঝামেলাহীন কার্যকরী কম খরচের এক জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি। একবার আই,ইউ,সি,ডি ব্যবহার করলে ১ বছর থেকে ৭/৮ বছর পর্যন্ত অন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহার না করেও জন্মনিয়ন্ত্রন কার্যকর রাখা যায়।
 

আই,ইউ,সি,ডি ইংরেজি অক্ষর T এর মতো দেখতে একটি Device যা মহিলাদের জরায়ুতে যোনিপথ দিয়ে প্রবেশ করানো হয়।বর্তমানে তিন ধরনের আই,ইউ,সি,ডি সহজলভ্য, লিপিস লুপ-কপার টি ও হরমোন নিসৃত করা আই,ইউ,সি,ডি। এর মধ্যেহরমোন নিসৃতকারিটি মাত্র ১ বছর কার্যকর থাকে, অন্য গুলো ৭-৮ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে।



আই,ইউ,সি,ডি ব্যবহারের পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয়, স্বামী-স্ত্রীদুজন সম্মত থাকলেই কেবল এটা ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়।জন্মনিয়ন্ত্রন বিষয়ের মহিলা চিকিৎসক কর্মকর্তাগন আই,ইউ,সি,ডি পরিয়েথাকেন। মাসিক শেষ হবার পরপরই এটা পরিয়ে দেবার উৎকৃষ্ট সময়,এছাড়া সন্তান হবার পরপর ও এটা পরানো যায়। কোনো মহিলার জরায়ুতেবা ডিম্বাশয়ে ইনফেকশন থাকলে কোনো অবস্থাতেই আই,ইউ,সি,ডিপরানো যায়না।

আই,ইউ,সি,ডি ব্যবহারের পর অনেক সময় মাসিক এর সময় বেশীরক্তপাত হতে পারে এবং তলপেটে ব্যথা করতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রেআবার আই,ইউ,সি,ডি নিজে নিজেই বের হয়ে পরে যেতে পারে। এছাড়াএকটোপিক প্রেগনেন্সি জাতীয় সমস্যাও আই,ইউ,সি,ডি ব্যবহারে বেশীদেখা যায়।

ব্যবহার করা অবস্থায় সন্তান নেবার ইচ্ছা হলে আই,ইউ,সি,ডি বের করেনেয়া যায় এবং নির্দিষ্ট বিরতির পর সন্তান নেয়া যায়। জন্মনিয়ন্ত্রনে আই,ইউ,সি,ডি এর সাফল্যের হার খুবই বেশী (৯৭%),যতটুকু ব্যর্থতা তা আই,ইউ,সি,ডি নিজে নিজে বের হয়ে যাবার কারনে হয়, তাই এ ব্যপারে সাবধান থাকতে হবে। কমদায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন দম্পত্তির জন্য এটা খুবই কার্যকর পদ্ধতি। যাদের বড়ি খাওয়ায় সমস্যা হয় এবং অন্য পদ্ধতি আরামদায়কমনে হয়না তারা সহজেই এটা ব্যবহারের কথা ভেবে দেখতে পারেন।
| ৯:০০ pm | 0 মন্তব্য(গুলি) | বাকীটুকু পড়ুন